বাবার সঙ্গে করে ক্ষেতমজুরী, মা পরিচারিকা! উচ্চমাধ্যমিকে ৯৪ শতাংশ নম্বর পেয়ে সাহায্যের আশায় শ্রাবন্তী

চলতি মাসের ১০ তারিখে এই বছরের উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। সারা বাংলা থেকে মোট ২৭২ জন পড়ুয়া জায়গা করে নিয়েছেন প্রথম দশে। করোনা পরবর্তী সময়ে এই বছরে পাশের হারও বেড়েছে অনেকাংশে। সামগ্রিক ফলাফলও আগের চেয়ে যথেষ্ট ভালো হয়েছে। কিন্তু ততই মধ্যে খবর আসে যে, পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার কারণে ফেলু পড়ুয়ারা বিক্ষোভ করতে শুরু করে। কিন্তু আজ আমরা এমন এক পড়ুয়ার কথা বলবো যিনি নিজের চেষ্টায়, কঠিন অধ্যবসায়ের জেরে শুধু পরীক্ষাতে উত্তীর্ণই হননি। ৯৪ শতাংশ নাম্বার পেয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

আজ জার ঘটনা বলছি তিনি শ্রাবন্তী বাউলদাস। তার পক্ষে এই ৯৪ শতাংশ নাম্বার পাওয়াটা অত সোজা থাকেনি। এর পিছনে রয়েছে এক অদম্য লড়াই এবং মানসিক জেদের কাহিনী। তার জীবনে প্রতিবন্ধকতা কম থাকেনি, কিন্তু সকল বাধা পেরিয়ে আর তার এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর লড়াই দেখে তিনি প্রশংসা পেয়েছেন সব মহল থেকেই।

জানলে অবাক হবেন কিন্তু তার বাবা মা কেউই স্কুলে যেতে পারেননি। ক্ষেতমজুরি এবং গৃহ পরিচারিকার কাজ করেই সংসার চলেছে তাদের। এমনকি অনেক সময় তার বাবা মাকে সাহায্য করতেও যেতে হয়েছে। কিন্তু শ্রাবন্তী শত বাধা বিপত্তি সত্বেও নিজের পড়াশোনায় কোনো ফাঁকি দেননি। আর সেই কঠিন অধ্যবসায়ের ফলেই আজ তিনি পেয়েছেন ৯৪ শতাংশ নাম্বার।

তার প্রাপ্ত নাম্বারের তালিকা দেখে অবাক হতে বাধ্য আপনিও। শ্রাবন্তী বাংলাতে পেয়েছে ৯৫, ইংরেজিতে ৯২, এডুকেশনে ৯০, ভূগোলে ৯২, দর্শনে ৯৫ এবং পরিবেশ বিজ্ঞানে ৯৯! উচ্চমাধ্যমিক স্তরে তার দুর্দান্ত রেজাল্ট হলেও উচ্চশিক্ষার বিষয় নিয়ে তিনি নিজেও রয়েছেন ধন্ধে। এই অবস্থায় একটি ভিডিও করে তিনি সহযোগিতার আশা করেছেন বিভিন্ন মহল থেকে। ভাইরাল ওই ভিডিওতে রয়েছে তার মোবাইল নাম্বার। তাই তাকে কেও সাহায্য করতে চাইলে ওই নাম্বার দিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button