পেট্রোল-ডিজেল নিয়ে ভারতের চিন্তা দূর করল UAE, বিশ্ব সংকটের মধ্যেই নিল বড় সিদ্ধান্ত

কলকাতাঃ সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) থেকে উৎপাদন বাড়ানোর ইঙ্গিত পেয়ে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম রেকর্ড মাত্রা থেকে ১৮ শতাংশ কমেছে। এই পতনের সাথে বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুড প্রায় ১১৪ মার্কিন ডলার এবং মার্কিন বেঞ্চমার্ক WTI ব্যারেল প্রতি ১১০ ডলারে নেমে এসেছে। উল্লেখ্য, রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংকটের কারণে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এই কারণে ৭ মার্চ, ২০২২-এ অপরিশোধিত তেল ব্যারেল প্রতি ১৪ বছরের সর্বোচ্চ ১৩৯.১৩ ডলারে পৌঁছেছিল।

সরবরাহ সংকটের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত বলেছেন যে, তিনি অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধিকে আটকাতে উৎপাদন বাড়ানোর পক্ষে ছিলেন। এই বিবৃতির পর ব্রেন্ট ক্রুড ২.৫৩ ডলার বা ২.২৮ শতাংশ কমে ১১৩.৬৭ ডলার প্রতি ব্যারেল হয়েছে। WTI ১.৬৪ ডলার বা ১.৫১ শতাংশ কমে ১১০.৩৪ ডলারে নেমেছে।

UAE-র অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্তে ভারত সবথেকে বেশি লাভবান হবে। ভারত তার ব্যবহারের ৮৫ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে। সম্প্রতি, অপরিশোধিত তেলের দাম ১৩৯ ডলার ব্যারেল প্রতি পৌঁছেছিল, যার কারণে ভারতে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একটি হিসেব অনুযায়ী, অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়লেও পেট্রোল ও ডিজেলের খুচরা দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্তে ক্ষতির মুখে পড়ছে সরকারি তেল সংস্থাগুলি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত অবিলম্বে ৮ লাখ ব্যারেল তেলের উৎপাদন বাড়াতে পারে। এটি রাশিয়ার উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে সরবরাহ ঘাটতির সপ্তমাংশ পূরণ করবে। আগামী দিনে ইরান থেকেও সরবরাহ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে, যা অপরিশোধিত তেলের দামে আরও স্বস্তি দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

crude oil

তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে চাহিদার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও আশঙ্কা করছেন উৎপাদনকারী দেশগুলো। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দামি অপরিশোধিত তেলের কারণে অর্থনীতির গতি মন্থর হলে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও কমবে। তাই OPEC দেশগুলো উৎপাদন বাড়াতে পারে।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button