বিনা পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করে আজ মাসিক আয় ৯ লাখ টাকা! হিমাংশির গল্প যেন আস্ত একটা সিনেমা

কথিত আছে যে, স্বপ্ন দেখার কোনো বয়স হয়না। বিশেষ করে আজকের যুব সমাজ তো শৈশব থেকে স্বপ্ন দেখছেও এবং তার পূরণ করার হিম্মতও দেখাচ্ছে। ছোটো ছোটো স্টার্টআপ খুলে কোটি টাকার বিজনেস (Business) দাঁড় করাচ্ছে। এমনই একটা গল্পের সাক্ষী হলো বছর ১৭ এর হিমাংশি।

হিমাংশি এমন একটা মেয়ে যিনি শুধুমাত্র নিজের পরিশ্রমের উপর ভরসা করে আজ কোটি টাকার ব্যবসা দাঁড় করিয়েছেন। হিমাংশির কথায় জানা যায় যে, সে যখন স্কুলিং শেষ করে কলেজে পা রাখে সেই সময় চাকরির বদলে ব্যবসা করার কথা তার মাথায় আসে। দেশের বড়ো বড়ো ব্যবসায়ীদের দেখে অনুপ্রাণিত হতো সে।

কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় হলো যে, তার বয়স এতোটাই কম ছিলো যে, কেউ তাকে সিরিয়াসলি নিতোনা। কিন্তু হিমাংশিও ছাড়ার পাত্রী নয়, তিনিও ভেবে নিয়েছিলেন যে, তার কাছে যা যা ব্যবসায়িক আইডিয়া আছে তিনি সেই সবকিছুর উপর কাজ করবেন। কিন্তু সমস্যা হলো ফান্ডিং। নিজের সমস্ত সোর্স কাজে লাগিয়েও কোনো ফান্ডিং জোগাড় করতে পারলেন না তিনি।

হিমাংশির কথায়, ‘আমার আইডিয়া অনেকের পছন্দ হয়েছিলো। কিন্তু ব্যবসায় রিস্ক নিতে কেউ রাজি ছিলোনা। আর আমার কাছে কোনো পুঁজি ছিলোনা। সেই সময় আমি ব্যবসার কথা ভাবা বন্ধ করে দিয়েছিলাম’। কিন্তু এর কিছুদিন পরেই হিমাংশি জানতে পারে যে, হেল্প লোন এনজিও এইরকম লোন দিয়ে থাকে।

সূত্রের খবর, এই সংস্থাটি সাধারণত লোনের নামে দান করে থাকে‌। টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যাপারটা সম্পূর্ণ যে লোন নিচ্ছে তার উপর নির্ভর করছে। লাগাতার ৩-৪ মাস ধরে যোগাযোগ করার পর লোন স্বরূপ ১৩ লাখ টাকা হাতে পান তিনি। এরপরই তিনি নিজের ব্যবসার কাজে লেগে পড়েন।

indian rupee money a

হিমাংশি এখন প্লাস্টিককে রিসাইকেল করে তার থেকে নতুন প্রোডাক্ট বানায়। এইসমস্ত জিনিস ইন্টেরিয়র ডিজাইনে কাজে লাগে। বেশ চড়া দামে বিক্রি হয় হিমাংশির বানানো জিনিসপত্র। যে ব্যবসা তিনি শূন্য থেকে শুরু করেছিলেন আজ সেই ব্যবসা থেকেই মাসে ৮-৯ লাখ টাকা রোজগার করেন তিনি। গত বছর তার কোম্পানির বার্ষিক পারেন ওভার ছিলো ৭ কোটি টাকা। তবে হিমাংশির লক্ষ্য হলো এই সংখ্যাকে ১০০ কোটিতে নিয়ে যাওয়া।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button