৫ লাখ টাকায় বিশেষ ব্যবসা শুরু করেন এই ইঞ্জিনিয়ার দম্পতি, এক বছরে টার্নওভার ছাড়াল কোটি টাকা

শিল্পকলার কারণে রাজস্থান বেশ বিখ্যাত। আজও রাজ্যটি তাদের পুরনো গরিমা ধরে রাখতে পেরেছে। ঐতিহ্যের ছোঁয়া ছড়িয়ে রয়েছে সেখানে। তবে আধুনিকতার পরশে তারা নিজেদের কষ্ট লাঘব করে সহজেই কাজ করতে শিখে নিয়েছে। সেখানের হস্তশিল্প সারা ভারতেই বেশ বিখ্যাত। বিভিন্ন চীনামাটির পাত্র থেকে শুরু করে নকশা সমস্তই বেশ দক্ষ হতে তৈরি করেন সেখানের কারিগররা।

আজকের প্রতিবেদনে আমরা সেখানের এমন একটি শিল্প সম্পর্কে জানাতে চলেছি যা কিছুটা হলেও নিজের নাম হারিয়েছে। আধুনিক সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে পুরনো সময়ের ঘাসের তৈরি কাগজ এবং অন্যান্য সাজানোর সামগ্রীকে। এই কাজ করেছেন এক দম্পতি। হারিয়ে যাওয়া একটি শিল্পকে আবার জনসমক্ষে এনে তারা প্রশংসা কুড়িয়েছেন সমস্ত মহল থেকেই। ঐতিহ্য, সংস্কৃতি নিয়ে তাদের এই উদ্যোগ আবারো নিজেদের ইতিহাসকে মনে করাচ্ছে রাজ্যবাসীকে।

যুগ পরিবর্তনের সাথে সাথেই মানুষ আধুনিকতার কারণে গ্রাম ছেড়ে শহরমুখী। কিন্তু সবাই সেই কাজ করলে আজ গ্রামের অর্থনৈতিক অবস্থার দারুণ অবনতি ঘটতো। কিছুজন আছেন যারা নিজেদের পড়াশোনা শেষ করে নিজের জন্মস্থানের উন্নয়ন করার জন্য কাজ করতে শুরু করে। এই দম্পতিও সেইরকমই একটি কাজ করেছেন, তাদের নাম পূর্ণিমা ও চিন্ময়।

পেশায় ইঞ্জিনিয়ার এই দম্পতি বেশ ভালো বেতনে চাকরি শুরু করেন। কিন্তু খুব বেশিদিন কাজ না করে সব ছেড়ে দিয়ে ফিরে আসেন নিজের শহর জয়পুরে। শুরু করেন নিজের ব্যবসা। পুরনো পদ্ধতি অনুসরণ করে কাগজ এবং ঘাসের ঝুড়ি তৈরি করতে শুরু করেন তারা। আজ তাদের সেই চিন্তাভাবনার ফলে কাজ পেয়েছেন ৫ টি গ্রামের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা।

৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে শুরু করেন নিজের ব্যবসা। মাত্র ১ বছরের মধ্যেই তাদের টার্নওভার ছড়িয়ে যায় কয়েক কোটি টাকায়! তাদের এই কাজে ব্যাপক খুশি স্থানীয় জনতা। এই কাজে সহায়তা করার জন্যেও এগিয়ে এসেছেন তারা। এভাবেই যদি প্রতিটি রাজ্যে ভারতের ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে শীঘ্রই ভারত আবার নিজের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার করতে পারবে।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button