চাকরি না মিললে শুরু করুন এই ব্যবসা, প্রতি মাসে হবে মোটা টাকা আয়

বর্তমান প্রজন্ম বাঁধাধরা চাকরির জীবনে আবদ্ধ না থেকে ব্যবসার (Business) দিকে ঝুঁকছেন। ব্যবসায় রয়েছে মোটা টাকা উপার্জনের সুযোগ। আবার অনেকেই চাষাবাদকে ব্যবসায়িক পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে। করোনা মহামারীর পর এই রেশ সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এই ব্যবসা শুরু করতে আপনাকে খুব বেশি বিনিয়োগ করতে হবে না। আবার অপরদিকে, সরকার থেকেও পাওয়া যাবে সাহায্য।

এমতাবস্থায় একটি লাভজনক চাষ হলো শসা চাষ। হ্যাঁ, শসা এমন একটি ফল যা সারাবছর মানুষের খাদ্য তালিকায় থাকে। এবং অত্যধিক চাহিদার কারণে বছরের দু একটি মাস ছাড়া এর বাজারদরও যথেষ্ট বেশিই পরিলক্ষিত হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শসা চাষ করে কম সময়ে অনেক আয় করা যায়।

শসার বীজ বপনের পর শসা ফলতে ৬০ থেকে ৮০ দিন সময় লাগে। আর এই চাষের উপযুক্ত সময় হলো গ্রীষ্ম ও বর্ষাকাল। সঠিক পদ্ধতি মেনে চাষ করলে বছরে পাঁচ থেকে ছ’মাস শসার ফলন সবচেয়ে বেশি পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে আপনাকে মাথায় রাখতে হবে শসা চাষের জন্য মাটির পিএইচ মাত্রা ঠিক রাখা জরুরী। বিশেষজ্ঞদের মতে শসা চাষের জন্য মাটির পিএইচ মাত্রা ৫.৮ থেকে ৬.৮ রাখা উচিত।

আপনি চাইলেই নদী বা পুকুর পাড়ে শসার বীজ বপন করতে পারেন। আর আপনি যদি এই চাষকে ব্যবসায়িক পর্যায়ে নিয়ে যেতে চান তাহলে বিনিয়োগের পরিমান একটু বাড়াতে হবে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে যে, এই শশা চাষ করেই ৪ মাসে ৮ লক্ষ টাকা উপার্জন করেছেন উত্তরপ্রদেশের এক কৃষক।

জানা যায় তিনি নেদারল্যান্ডস এর শশা লাগিয়েছিলেন। বাজারদর অনুযায়ী দেশি শসার চেয়ে নেদারল্যান্ডের শসার দাম বেশি। আপনিও চাইলে এই শসার বীজ অর্ডার করতে পারেন। এবার আপনি সেই গাছ লাগিয়ে বিপুল রোজগারও করতে পারবেন।

cucumber

জানিয়ে রাখা ভালো নেদারল্যান্ডের বীজযুক্ত শসা বাজারে সাধারণ শসার তুলনায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হয়। সহজেই প্রতি কিলো ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এই এই উৎকৃষ্ট মানের শসার বিশেষত্ব হল এতে বীজ অত্যন্ত কম থাকে। এবং বাজারে এর চাহিদা যথেষ্ট বেশিই। এতে আপনি মোটা টাকা মুনাফা অর্জন করতে পারেন। দূর্গা প্রসাদের পাশাপাশি বহু কৃষকই নেদারল্যান্ড থেকে শসার বীজ এনে চাষ করছেন। আপনিও চাইলে সহজেই এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button