১৫ হাজার টাকা দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করে প্রতিমাসে আয় করুন ৫০ হাজার! মিলবে সরকারি সাহায্যও

বর্তমান যুগে মানুষ চাকরির (Employment) চেয়ে ব্যবসাকেই (Business) বেশি লাভজনক বলে মনে করছেন। তবে বেশিরভাগ মানুষের মধ্যেই একটি ধারণা রয়েছে যে ব্যবসা করতে প্রচুর পরিমাণে অর্থ প্রয়োজন হয়। জানিয়ে দিই এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। এমন অনেক ব্যবসা আছে যা আপনি খুব কম পুঁজিতে শুরু করে বিপুল পরিমাণ মুনাফা অর্জন করতে পারবেন। আজ এই প্রতিবেদনে আমরা বলব মাটির পাত্র তৈরির ব্যবসা।

মাটির ভাঁড়ের ব্যবসা এই পরিস্থিতিতে আসলেই লাভজনক, কারণ পরিবেশের কথা মাথায় রেখে সরকার প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করেছে। এমতাবস্থায় প্লাস্টিকের সবচেয়ে সহজ বিকল্প একমাত্র মাটির ভাঁড়ই হতে পারে। আর সেই কারণেই বর্তমানে মাটির জিনিসের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। মানুষ এখন প্লাস্টিক, স্টিল ইত্যাদির বদলে মাটির ভাঁড়ে চা খাওয়া বেশি পছন্দ করছে। বিভিন্ন রেল স্টেশন, চায়ের দোকানে আজকাল প্লাস্টিক কাপের বদলে মাটির ভাঁড় বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। বিভিন্ন সুক্ষ্ম কারুকার্য খচিত মাটির জিনিসের বিপুল চাহিদা রয়েছে বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট, ক্যাফেতে।

এখানে জানিয়ে রাখা ভালো এক্ষেত্রে আপনি সাহায্য পাবেন কেন্দ্র সরকার থেকেও। ব্যবসায় নামার জন্য আপনার মূলধন বিনিয়োগের পাশাপাশি আপনাকে বিভিন্নভাবে সাহায্য করবে কেন্দ্র সরকার। দেশজুড়ে মৃৎশিল্পের আর্থিক উন্নয়নের জন্য কেন্দ্র সরকার থেকে বৈদ্যুতিক চাকা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

আসুন জেনে নিই এই ব্যবসার খুঁটিনাটি

আপনি নূন্যতম ১৫ হাজার টাকা মূলধন নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এছাড়া প্রয়োজন একটু জায়গা। বর্তমানে ১০০টি চায়ের ভাঁড়ের পাইকারি দাম ৫০ টাকা। ১০০ টি লস্যি ভাঁড়ের দাম ১৫০ টাকা। কারুকার্য খচিত মাটির জিনিসের দাম এর চেয়ে বেশি। নিয়মিত ও পরিকল্পিতভাবে মাটির ভাঁড় তৈরির ব্যবসা শুরু করলে আপনি সহজেই প্রতিদিন ১ হাজার বা তার বেশি টাকা আয় করতে পারেন। ভারতে অনেকেই এই ব্যবসাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন এবং এর মাধ্যমে মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করছেন।

ব্যবসার লাইসেন্স

এখানে জানিয়ে রাখি যে, প্রায় সমস্ত ধরণের উৎপাদন ব্যবসার জন্যই ভারত সরকার অনুমোদিত লাইসেন্সের প্রয়োজন হয়। তাই আপনাকে সবার আগে MSME-এর অধীনে নিজের ব্যবসা নিবন্ধন করতে হবে এতে আপনি সরকারের কাছ থেকে কিছু অতিরিক্ত সুবিধাও পাবেন।

var

মাটির ভাঁড়ের চাহিদা

প্রতি মৌসুমেই মাটির জিনিসের চাহিদা থাকে। একই সঙ্গে বিয়ের মৌসুমে এর চাহিদা বেড়ে যায়। আর স্বাভাবিক ভাবেই চাহিদা বাড়লে তাদের দামও বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে ব্যবসায়ী ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারেন। মাটির ভাঁড়ের বহুল জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হলো মাটি পরিবেশের কোনও ক্ষতি করে না। আর তাই মাটির ভাঁড়ও পরিবেশ বান্ধব। ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায় মাটির সঙ্গেই। এতে পরিবেশের ভারসাম্যও বজায় থাকে। দূষণও কম হয়। কিন্তু প্লাস্টিকের ক্ষেত্রে এমনটা হয় না।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button