স্টেডিয়ামের বাইরে চা বিক্রি করতেন ধোনির বন্ধু, দেখতে পেরে মাহি যা করলেন! জানলে অবাক হবেন

কলকাতাঃ সাধারণ ঘরের ছেলে থেকে বিশ্বসেরা ক্রিকেটার। ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা ক্রিকেটার মহেন্দ্র সিং ধোনির জীবনী সবাইকে অনুপ্রেরণা জোগাবে। ভারতীয় রেলে টিকিট চেকারের চাকরি করলেও তাতে তাঁর তেমন মন লাগত না। ক্রিকেটকেই ছোট বেলা থেকে সঙ্গী করেছিলেন মাহি। আর সেই ক্রিকেট নিয়ে এগিয়ে চলার জন্য ভালো সরকারি চাকরিকেও বলিদান করেন তিনি।

যদিও, সেই সরকারি চাকরির থেকে অনেক অনেক বেশি টাকা তিনি ক্রিকেট খেলে কামিয়ে নেন। প্রথমবার টি-২০ বিশ্বকাপ, প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, টেস্ট ও ওয়ানডে ম্যাচে দলকে শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ২০১১ সালে ভারতে বিশ্বকাপ এনে দেওয়া। সবই হয়েছে ধোনির আমলে।

মহেন্দ্র সিং ধোনিকে সবাই ক্যাপ্টেন কুল হিসেবেই জানেন। তবে উইকেটের পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা ধোনি শান্ত স্বভাবের হলেও ছিলেন খুব চালাক। কখন কীভাবে দলকে পরিচালনা করতে হবে, সেটা ওনার থেকে হয়ত ভালো আর কেউ জানত না। আর ওনার ক্রিকেট জীবন এবং তাঁর আগের কাহিনী নিয়ে একটি সিনেমাও তৈরি হয়েছে বলিউডে।

ধোনি যত বড়ই মানুষ হন না কেন, তাঁর পা সবসময় মাটিতেই থাকত। দম্ভ, অহংকার বলে কিছুই ছিল না তাঁর। ভক্ত থেকে শুরু করে বন্ধুবান্ধব সবাইকেই একই নজরে দেখতেন তিনি। তাঁরা কেউ সামনে এলে, তাদের ফিরিয়েও দিতেন না মাহি।

এরকমই একটি ঘটনা ঘটে গিয়েছিল ওনার জীবনে। যখন ধোনি ভারতীয় রেলে কর্মরত ছিলেন। তখন তাঁর পোস্টিং ছিল খড়গপুরে। সেই সময় তিনি সবার টিকিট পরীক্ষা করতেন। আর ফাঁকা সময়ে স্টেশনের বাইরে গিয়ে চা খেয়ে আসতেন। সেই সময় এক চা ওয়ালার সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় তাঁর। সেই বন্ধুর নাম ছিল থমাস।

এরপর টিকিট পরীক্ষকের চাকরি ছেড়ে তিনি ভারতীয় দলে পাকাপাকি স্থান পেয়ে যান। সেই সময় থমাস আর ধোনির আর দেখা হত না। এরপর ধোনি একবার কলকাতায় বিজয় হাজারে ট্রফি খেলতে এসেছিলেন। তখন আচমকাই তাঁর পুরনো বন্ধু থমাসকে দেখেন তিনি। ধোনির সেই সময় অনেক নাম। তবে খ্যাতি অর্জন করলেও পুরনো বন্ধুকে ভোলেননি তিনি। থমাসকে দেখা মাত্র তাঁকে জড়িয়ে ধরেন।

থমাসও সেদিন ভাবতে পারেননি যে ধোনি তাঁকে চিনতে পারবে আর জড়িয়েও ধরবে। এই ঘটনা এটাই প্রমাণ করে যে, মানুষ জীবনে যতই বড় হয়ে যাক না কেন, অতীত কোনদিনও ভোলে না সে।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button