ট্রেন স্টেশনের নামের নীচে লেখা থাকে লাল রঙের সাংকেতিক চিহ্ন, এর গুরুত্ব জানলে অবাক হবেন

ভারতীয় রেলের অনেক নিয়মাবলি সম্পর্কে আমরা অনেকে কিছুই জানিনা। রেল চালানোর সময় অনেক নিয়মের খেয়াল রাখতে হয়। এর আগেও আমরা আপনাদের অনেক অজানা নিয়ম সম্পর্কে বলেছি, কিন্তু আজ যেটা আপনাদের বলতে চলেছি সেটিও খুব কম লোক জানে। আপনারা অনেকেই দেখেছেন যে, আপনার স্টেশনের বোর্ডে স্টেশনের নামের তলায় লাল রঙে কিছু লেখা থাকে, জানেন সেখানে কী তথ্য জানায় রেল?

আসলে ভারতের প্রতিটি স্টেশনেই স্টেশনের নামের নীচে লাল রঙের ওই লেখাটাও বাধ্যতামূলক। আসলে ওই লাল রঙে লেখা থাকে সমুদ্রপৃষ্ঠের থেকে সংশ্লিষ্ট স্টেশনটি ঠিক কতটা উচ্চতায় রয়েছে। দেশের প্রতিটি স্টেশন সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতায় আছে সেটাই জানায় রেল কর্তৃপক্ষ।

বাঙালির দুটি অতিপ্রিয় জায়গা ঘুম এবং দীঘা স্টেশনের সাইনবোর্ডের ছবি দেওয়া হলো। প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি যে, ঘুম দার্জিলিং এ অবস্থিত এবং এই স্টেশন ভারতের সবচেয়ে উচ্চতম স্টেশন। সেখানে দেওয়া সাইনবোর্ড থেকে এই স্টেশনের উচ্চতা সম্পর্কে জানতে পারবেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ হাজার ২৫৮ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই স্টেশন।

সারা ভারতবর্ষে ঘুম স্টেশনের সমান উচ্চতায় আর কোনো স্টেশন নেই। দ্বিতীয় দীঘা স্টেশনের উচ্চতা খুবই কম। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৭.৪০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই রেল স্টেশন। এছাড়া সেখানে লেখা থাকে M.S.L. সম্পর্কেও জানতে নিশ্চয়ই উৎসুক অনেকে। আসলে M.S.L. মানে হলো Mean Sea Level বা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতা।

rail train

আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, এই Mean Sea Level অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারন সেই হিসেবে ইঞ্জিনের শক্তি বাড়া কমা করতে হয়। সেজন্য এই উচ্চতা জানা খুব জরুরী। অনেকের মনে প্রশ্ন হাওড়া স্টেশন কত উচ্চতায় অবস্থিত? জানিয়ে রাখি হাওড়া স্টেশন সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এবং দেশের রাজধানী দিল্লী স্টেশন সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২১৪.৪২ মিটার উচ্চতায় রয়েছে।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button