প্রথমবার লটারি কেটেই ১ কোটি! পুরস্কারের টাকায় তারা মায়ের বিশাল মন্দির বানাচ্ছেন কৃষক

ভাগ্যের চাকা যে কখন কীভাবে ঘুরে যায় বোঝা খুবই মুশকিল। কোটিপতি থেকে রাস্তার ভিখিরি হতেও একটাই মুহুর্তের প্রয়োজন হয়, আবার খুবই দুর্দশাগ্রস্ত মানুষও খুব সহজেই কোটিপতি হতে পারেন। আজ সেরকমই এক গল্প জানাবো আপনাদের। হুগলীর গুড়াপের বাসিন্দা কলেজ কিস্কু রাতারাতি কোটিপতি হয়েছেন, কিন্তু কিভাবে এর টাকা পেলেন তিনি?

তারা মায়ের সাধক কলেজ কিস্কু। পুরষ্কার জিতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মায়ের মন্দির ও আশ্রম তৈরি করবেন তিনি। ছোট থেকেই নিজের বাড়িতে তারা মা এর সাধনা করেই বড় হয়েছেন কলেজ কিস্কু। পেট চালাতে মাঠে চাষের কাজ করতেন। এরপর একদিন তার ইচ্ছে হয় মায়ের মন্দির বানাবার। কিন্তু হাভাতে ঘরে দু’মুঠো ভাত জোগাতেই হিমশিম খেতে হয়, তাজ মন্দির বানানোর কথা ভাবা নেহাতই অলীক কল্পনা বলে মনে হবে।

কিন্তু তখনই একদিন তার ভাগ্য খুলে যায়, আর সেখান থেকেই নিজের কাঙ্ক্ষিত ইচ্ছা পূরন করতে চলেছেন তিনি। হঠাতই একদিন ঝোঁকের বশে লটারির টিকিট কাটেন, আর ব্যাস। প্রথমবারেই জিতে নেন ১ কোটি টাকার প্রথম পুরষ্কার! সেই টাকা দিয়েই দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, তারা মায়ের মন্দির তৈরির কাজ শুরু করেছেন তিনি।

মায়ের সাধক কলেজ কিস্কু ছোটবেলা থেকেই বাড়িতে মাতৃ আরাধনা করে থাকেন। পুজোর সময় গুলোতে অনেকের বাড়িতেই ডাক পড়ে তার। আবার বিশেষ কিছু পুজোতে গ্রামের মানুষের নিমন্ত্রণ পড়ে সাধকের বাড়িতে। এহেন কলেজ কিস্কু মাতৃ আরাধনার মধ্যেই আবার চাষবাসের কাজও করেন। নিজের স্বল্প সামর্থ্যের মধ্যেই মাকে তুষ্ট করার চেষ্টা করেন কলেজ।

কোটিপতি যে হয়েছেন সেই খবর অবশ্য নিজেই গিয়ে জানান মানুষদের। এদিকে খুব বেশি যে লটারি কাটতেন তাও না। হঠাতই সেইদিন একবার মায়ের মাম করে একখানা টিকিট কেটেই নেন। আর ব্যাস, তাতেই রাতারাতি ভাগ্য পরিবর্তন হয়ে যায় তার। পুরষ্কার পাওয়ার কথা জানতে পেরেই সিধান্ত নেন যে, তিনি মায়ের মন্দির বানাবেন।

lottery

যেমন ভাবা তেমন কাজ। পুরষ্কার হতে আসতেই শুরু করে দেন মন্দির তৈরির কাজ। শুধু তাই না, সেখানে পুণ্যার্থীদের জন্য আশ্রমও তৈরি করেছেন তিনি। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দারাও খুশি হয়েছেন মন্দির তৈরি হওয়ায়।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button