এবার বড়সড় ঝামেলায় পড়লেন মা কালীকে নিয়ে বিতর্কিত শর্ট ফিল্ম বানানো সেই পরিচালক

ভারতীয় সনাতন হিন্দু ধর্মকে অপমান করে সস্তার পাবলিসিটি পাওয়া যেন এখন ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাত্র কয়েকদিন আগেই কানাডা নিবাসী চলচ্চিত্র নির্মাতা লীনা মণিমেকলাই মা কালীকে নিয়ে এক তথ্যচিত্র তৈরি করেন, যেখানে পরিচালক মা কালীকে নিয়ে এক বিশেষ কুরুচিপূর্ন পোস্টার তৈরি করেন। আর এরপরই শুরু হয় বিবাদ।

পরিচালকের তৈরি করা পোস্টারে দেখা যাচ্ছে মা কালীর মুখে সিগারেট। কিন্তু এবার সেই পরিচালক মাকে অপমান করার উপযুক্ত শাস্তি পেলেন। আসলে দেশের মধ্যে বেড়েই চলেছিল ক্ষোভ। একের পর এক FIR হতে থাকে লীনা মণিমেকলাইয়ের নামে। সে সাথে কানাডার ভারতীয় হাইকমিশনের তরফেও এই ডকুমেন্টারির ওপর আপত্তি জানানো হয়। সর্বশেষে চাপের মুখে পড়ে আগা খান জাদুঘর কর্তৃপক্ষ একটু বিবৃতি জারি করে ক্ষমা চেয়ে বন্ধ করে এই ছবির সম্প্রচার।

টরন্টো ইউনিভার্সিটি এক বিবৃতিতে জানায় যে, তারা “আন্ডার দ্য টেন্ট” নামের এক প্রকল্পের অধীনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পটভূমির শিক্ষার্থীদের নিয়ে একত্রে কাজ করে তারা। আন্তঃসাংস্কৃতিক বোঝাপড়া এবং কথোপকথনকে উৎসাহিত করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। কিন্তু ভারতীয় হাইকমিশনের নির্দেশে তারা বন্ধ করে এই শো। লীনা মণিমেকলাই ছবিটির পোস্টার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার পরই শুরু হয় বিতর্ক। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে যে, দেবী কালীর পোশাকে একজন মহিলা সিগারেট খাচ্ছেন, হাতে ত্রিশূল এবং কাস্তের সাথে স্বাভাবিক পোশাকের সাথে দেবীর ভূমিকায় অভিনয় করা ওই অভিনেতা ‘LGBTQ’+ সম্প্রদায়ের গর্বের পতাকা নিয়েও হাজির হয়েছেন।

leena manimekalai 31

যদিও জাদুঘর কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছেন কিন্তু নিজের মন্তব্যে বেবাক ছবির নির্মাতা লীনা। তিনি ক্ষমা চাওয়া তো দুর, উল্টে দাবি করেন যে সবার তাকে ভালোবাসা উচিত। সেখানেই এই বিতর্ক শেষ হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের এক সংসদ মহুয়া মৈত্র এই সম্পর্কে বলেন যে, “কালী আমার কাছে মাংসাশী, মদ গ্রহণকারী দেবী। আপনার দেবী কল্পনা করার স্বাধীনতা আছে। এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে দেবতাদের কাছে হুইস্কি দেওয়া হয় এবং অন্য কিছু জায়গায় এটি অপরাধ বলে মনে হবে,”।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button