গোটা ভারতেই রয়েছে বিশাল চাহিদা, মাত্র ২৫ হাজার দিয়ে এই সুপারিট ব্যবসা শুরু করে মাসে কামান লাখ টাকা

আজকাল মানুষ স্বাস্থের ব্যাপারে যতই সচেতন হচ্ছে ততই বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যবসা (Business) লাভজনক হয়ে উঠছে। এই অবস্থায় চিঁড়ার ব্যবসাতে খুব সহজেই অনেকটা লাভ করতে পারেন। আজ সেই ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন সেই নিয়েই আজকে আমাদের এই প্রতিবেদন।

চিঁড়ার ব্যবসা খুবই লাভদায়ক। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা সারা বছরই চাহিদা থাকে এই প্রোডাক্টের। সারা ভারতেই প্রাতঃরাশ হিসেবে দারুন বিখ্যাত চিঁড়া। পুষ্টিদায়ক তো বটেই, সাথে পোহার বিভিন্ন রকমের পদ বেশ উপাদেয়।

কিভাবে শুরু করবেন এই ব্যবসা?

চিঁড়ার ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাকে একটি চিঁড়া ম্যানুফ্যাচারিং ইউনিট খুলতে হবে। একবার সেখানে বিনিয়োগ করেই অনেকটা রোজগার করতে পারেন।

কত খরচ হবে?

আপাতত খাদি এবং গ্রামীণ শিল্প কমিশনের (KVC) রিপোর্ট অনুযায়ী একটি চিঁড়া উৎপাদন ইউনিটের আনুমানিক খরচ হয় ২.৪৩ লক্ষ টাকা। এছাড়া আপনি এই ব্যবসা শুরু করতে আপনি ৯০% লোন পেয়ে যাবেন। তাই লোনের পরিমাণ ধরলে আপনি মাত্র ২৫,০০০ টাকা বিনিয়োগ করেই বিপুল উপার্জন শুরু করতে পারেন।

চিঁড়া ব্যাবসা শুরু করতে কি কি প্রয়োজন?

শুরুতেই আপনাকে প্রায় ৫০০ বর্গফুট জায়গা নিতে হবে। সেখানে আপনি চিঁড়া তৈরির মেশিন, প্যাকিং মেশিন এবং একটি ড্রামের প্রয়োজন হবে। তবে শুরুতেই বিপুল পরিমাণ উৎপাদন না করে ধীরে ধীরে বাড়ান এই পরিমাণ।

কিভাবে পাবেন ঋণ?

খাদি ও গ্রাম শিল্প কমিশন(KVIC) এর থেকে পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, আপনি যদি গ্রামীণ শিল্প কর্মসংস্থান প্রকল্পের অধীনে কোনো ব্যাংকে এই ঋণের জন্য আবেদন করেন তাহলেই আপনি ঋণ পেয়ে যাবেন।

money

কত উপার্জন হবে মোট?

ব্যাবসা শুরু করার প্রথমেই আপনার প্রয়োজন হবে কাঁচামালের। সেখানে আপনাকে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। তবে শুধু এই নয়, এই সমস্ত ছাড়াও প্রতি মাসেই আরো ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। এই পরিমাণ বিনিয়োগে আপনি ১০০০ কুইন্টাল চিঁড়া উৎপাদন করতে পারেন। এই পরিমাণ চিঁড়া উৎপাদনে আপনার মোট খরচ হবে ৮.৬ লাখ টাকা এবং আপনি বিক্রি করে পেয়ে যাবেন প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ প্রতি মাসে খুব সহজে আপনি ১.৪ লক্ষ টাকা আয় করতে পারেন।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button