পদ্মা সেতু নিয়ে গুজব, আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা! যুবককে করুণ শাস্তি শোনাল বাংলাদেশ

বাংলাদেশের (Bangladesh) সাধের পদ্মাসেতু (Padma Multipurpose Bridge) নিয়ে সমস্যার শেষ নেই। একের পর এক দুর্ঘটনা থেকে শুরু করে সেতু দেখতে যাওয়ার মানুষের ভিড়, সব মিলিয়ে সেতু নিয়ে বাংলাভাষী দেশটির সমস্যার অন্ত নেই। কিন্তু উদ্বোধনের বহু আগে থেকেই এই সেতু নিয়ে সমস্যার শেষ নেই। গত ২০১১ সালে রটে যায় যে, ‘পদ্মা সেতুতে মাথা লাগবে’! এই গুজব ছড়াতেই এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।

কিন্তু বাংলাদেশ সরকার অতি তৎপর হয়ে গুজব ছড়ানোর অপরাধে রাজিব হোসাইন নামের এক যুবককে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। গত পরশুই, অর্থাৎ মঙ্গলবার সেদেশের রাজশাহী বিভাগের সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক জিয়াউর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

গুজব চক্রান্তকারী রাজিব, রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার বড়গাছি হাজীপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তার বিরুদ্ধে এদিন মামলার রায় শোনায় কোর্ট। তিনি গত ২০১১ সালে ফেসবুকে প্রচার চালান যে, ‘পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এক লাখ মানুষের মাথা লাগবে।’

শুধু তাই না, এর সাথে আরও লিখেছেন যে, সেদেশের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই দেশভরে পুরো ৪১টি দল বের হয়েছে এই কাজে। আর তারা সাথে নিয়েছে ধারালো ছুরি ও গ্যাস স্প্রে। তাদের কাজ হলো ১ লাখ মাথা নিয়ে আসা ব্রিজের জন্য। আর সেই রটনার বিরুদ্ধেই এদিন সাজা শুনিয়েছে বাংলাদেশ কোর্ট।

সরকারি পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন যে, চক্রান্তকারি রাজিবের বিরুদ্ধে সেদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ২৫(১)/৩১(১) ধারার অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই দুই বছরের জেল এবং ২ লক্ষ টাকার জরিমানা করা হয়।

padma bridge 1024x538 1

টাকা দিতে না পারলে অতিরিক্ত ৬ কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে। সাথে আরেক আইনে পুরো ৩ বছরের কারাবাসের নির্দেশ পেয়েছেন তিনি। সাথে আরো ৩ লাখ টাকা জরিমানা। অনাদায়ে আরও ছয় মাস জেলে থাকতে হবে অপরাধী রাজিব হোসাইনকে।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button