ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো লাইনে বিরাট বিভ্রাট! বিশ বাঁও জলে কাজ, চরম চিন্তায় কর্তৃপক্ষ

ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো (Kolkata Metro Line 2) নিয়ে মানুষের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে রয়েছে। অন্যদিকে আরো বেশ কিছু মেট্রো রুট চালু হওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছেন বাংলার মানুষজন। এদিকে বাংলায় রয়েছেন চিফ কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি (সিসিআরএস) জনক কুমার গর্গ।

চিফ কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি (সিসিআরএস) জনক কুমার গর্গ হাওড়া ময়দান থেকে গ্রিন লাইনের এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত সমস্ত স্টেশন পরিদর্শন করেছেন। হাওড়া ময়দান মেট্রো স্টেশন (Howrah Maidan metro station) থেকে স্টেশন পরিদর্শনের কাজ শুরু করেন গর্গ। তিনি হুগলি নদীর তলদেশে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত একটি মেট্রোতে ভ্রমণ করেন এবং ফায়ার ডিটেকশন এবং সাপ্রেশন সিস্টেম, ফায়ার অ্যালার্মের দক্ষতা, জরুরি টক ব্যাক সিস্টেম, ব্লু লাইট সিস্টেম এবং হাওড়া ময়দান, হাওড়া, মহাকরণ এবং এসপ্ল্যানেডের প্রতিটি স্টেশনে প্রদত্ত অন্যান্য যাত্রী সুবিধাগুলি পরিদর্শন করেন।

   

যদিও আচমকাই ঘটে বিপত্তি। যারপরে মনে করা হচ্ছে, নতুন করে বিশ বাঁও জলে চলে যেতে পারে ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো পরিষেবা। ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো করিডোর নিয়ে মানুষের মধ্যে উত্তেজনার শেষ নেই। কবে এই রুট চালু হবে তার অপেক্ষায় দিন গুনছেন সকলে। কিন্তু আচমকাই যত বিপত্তি ঘটে গেল। এই রুটের মেট্রো পরিদর্শন করতে গিয়ে খোদ বিপাকে পড়লেন জনক কুমার গর্গ।

জানা গিয়েছে, পরিদর্শনের সময় কার্যত অচল হয়ে রইল চিফ কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির মোবাইল। হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত টানেল ও স্টেশনে থাকছে না মোবাইল নেটওয়ার্ক। ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের এই অংশ পরিদর্শনের সময় কার্যত যোগাযোগহীন হয়ে রইলেন চিফ কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি জনকুমার গর্গ। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। আর এই ঘটনাকে ঘিরে যথেষ্ট উদ্বেগ ছড়িয়েছে সকলের মধ্যে।

সূত্র মারফত খবর, লাইনের এই অংশে মোবাইল নেটওয়ার্ক কাজ করে না। ওয়াকিটকির মাধ্যমে মাটির নিচে কথা বলতেন শ্রমিক বা রেলকর্তারা। মেট্রোর এই অংশে মোবাইল ফোন সক্রিয় করার জন্য প্রয়োজন বিশেষ ধরনের রাউটার বসানোর। এটা উপলব্ধি করেছে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। এহেন অবস্থায় এসপ্ল্যানেড স্টেশনে যাত্রীরা যাতে বিভ্রান্ত না হয়ে যান সেই জন্য পর্যাপ্ত সাইনেজ ও দিক নির্ণয়কারী বোর্ড লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর