শিউরে সংকট! চরম বিপদে ইন্ডিয়ান অয়েলের কোটি কোটি গ্রাহক, মিলবে না গ্যাস সিলিন্ডার

আপনিও কি ইন্ডিয়ান অয়েলের (Indian Oil Corporation) গ্যাসের গ্রাহক? তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনটি রইল শুধুমাত্র আপনার জন্য। কারণ যারা ইন্ডিয়ান অয়েল-এর গ্যাসের গ্রাহক তাদের মাথায় এক প্রকার বাজ ভেঙে পড়তে চলেছে। প্রায় এক কোটির উপর মানুষ চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে চলেছেন।

এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন যে কি এমন হয়েছে? তাহলে বিস্তারিত জানতে ঝটপট পড়ে ফেলুন আজকের এই প্রতিবেদনটি। বর্তমান সময়ে এমন কোনও মানুষ নেই যার বাড়িতে গ্যাস সিলেন্ডার (Gas Cylinder) নেই। কিন্তু কখনো ভেবে দেখেছেন যে একদিন যদি গ্যাস সিলিন্ডার না পান তাহলে কি হবে? হ্যাঁ, এবার এমনই হতে চলেছে রাজ্যের এক জেলার মানুষের সঙ্গে।

   

চরম সমস্যায় পড়তে চলেছেন জলপাইগুড়ির (New Jalpaiguri) মানুষজন। জানা যাচ্ছে, জলপাইগুড়ির রানিনগরে ইন্ডিয়ান অয়েল LPG বটলিং প্ল্যান্টে লরি চলাচল বর্তমান সময়ে বন্ধ রয়েছে। এদিকে প্ল্যান্ট আচমকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে কেউ এখন আর ফাঁকা গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। এর জেরেই রান্নার গ্যাস রিফিলিংয়ের কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গের (North Bengal) বিভিন্ন প্রান্তে গ্যাস বোঝাই সিলিন্ডার আর পৌঁছাবে না ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে। আর এর জেরে চরম ভোগান্তিতে পড়তে চলেছে উত্তরবঙ্গে থাকা ইন্ডিয়ান ওয়েলের অন্তত ১ কোটি গ্রাহক বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিদিন ৪০ হাজার সিলিন্ডার রিফিল হত এই প্ল্যান্টে। তবে এখন তা বন্ধ। ফলে রান্না কিভাবে হবে সেই নিয়ে মাথায় হাত পড়েছে সকলের।

indian oil

এই প্রসঙ্গে তৃণমূল ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্টেট ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের অ্যাডভাইজার কৃষ্ণ দাসের অভিযোগ, ট্রান্সপোর্ট মালিকেরা পিএফ এবং ইএসআই এর অর্থ প্রদান না করার কারণে গাড়িচালকদের এই বিক্ষোভ। গত পাঁচ বছর আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি বৈঠক হয়। ইএসআই এবং পিএফ গাড়িচালকদের দিতে হবে এ নিয়ে একটি চুক্তিপত্র করা হয়। সেখানে এইসব সুবিধার কথা উল্লেখ ছিল। পাঁচ বছর আগের চুক্তি আজ থেকে দু মাস আগে শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমানে নতুন করে চুক্তি হয়নি। ফলে গাড়ি চালকদের কোনও নিরাপত্তা নেই। তাই অবিলম্বে চুক্তি করতে হবে।

যদিও কৃষ্ণ দাসের এই সংগঠন তৃণমূল শ্রমিক সংগঠন অনুমোদিত নয় বলে জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি রাজেশ লাকড়া। তাঁর পাল্টা দাবি, ওই সংগঠন ভুয়ো। কেউ একজন নিজের স্বার্থপূরণের জন্য এই ধর্মঘট করেছে। তাই তিনি বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনকে কড়া পদক্ষেপ নিতে বলেছেন।

সম্পর্কিত খবর