ভুলে যান দিঘা, ঘুরে আসুন সুন্দরবন! রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও রয়েছে বিরাট চমক

সুন্দরবন (Sundarbans)… নামটা শুনলেই চোখের সামনে যেন ভেসে ওঠে বিস্তৃতভাবে থাকা গভীর অরণ্য, বন্যপ্রাণী। এই সুন্দরবনের জঙ্গলে এমন কোনো হিংস্র জিনিস নেই যা থাকে না এখানে। এখানকার ইকো সিস্টেম সুন্দববনকে সব সময়ে সকল জায়গার থেকে এক কথায় আলাদা করে।

বছরের যেকোনো সময় পর্যটকরা এখানে ভিড় জমান সে দেশের হোক বা বিদেশের…সুন্দরবন এক কথায় সকলকেই আকর্ষণ করে। বিশেষ করে শীতকালে সুন্দরবনে পর্যটকদের আনাগোনা যেন এক ধাক্কায় বেশ খানিকটা বেড়ে যায় ফুলে ফেঁপে ওঠে এখানকার পর্যটন ব্যবসা। আপনিও কি আর কয়েকদিনের মধ্যে সুন্দরবন যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাহলে আপনার জন্য রইল একটি দুর্দান্ত সুখবর, যা শুনলে আপনিও খুশিতে লাফিয়ে উঠবেন। সুন্দরবন ঘুরতে যাওয়ার আনন্দ আপনার আরো দ্বিগুণ হয়ে উঠবে।

   

সুন্দরবন মানেই হলো রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার (Bengal tiger) থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকমের কুমির, হরিণ, পাখি সহ আরো অন্যান্য বন্যপ্রাণীদের থাকার জায়গা। বলা ভালো একটা সুরক্ষিত জায়গা। এদের দেখতে পেলি পর্যটকরা আনন্দে একপ্রকার আত্মহারা হয়ে যান। কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের তরফে সুন্দরবনকে একপ্রকার ঢেলে সাজানো হচ্ছে এবারে সুন্দরবনকে নিয়ে আরো একটি বড় সিদ্ধান্তের পথে হাঁটল প্রশাসন।

শীতের মরসুমে সুন্দরবনে বিভিন্ন রকমের পাখিদের সমাগম বাড়তে থাকে। তবে তাদের নির্দিষ্ট কোন থাকার জায়গা নেই। বলা ভালো এতদিন ছিল না। তবে আর কোন চিন্তা নেই কারণ পাখিদের জন্য এবং স্থায়ী মাথা গোঁজার ঠাই তৈরি করা হচ্ছে সুন্দরবনে প্রশাসনের তরফে। জানা গিয়েছে, বনদফতরের উদ্যোগেই ঝড়খালির ওয়াইল্ড অ্যানিমাল পার্কে তৈরি হচ্ছে দুটি এনক্লোজার।

sundarban 1

সম্প্রতি এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন রেঞ্জ অফিসার মাতলা রফিক আলি। তিনি বলেন, “দুটো এনক্লোজার তৈরি হচ্ছে। একটি এনক্লোজার তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। আর একটি তৈরির কাজও দ্রুত শেষ হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই ওই এনক্লোজারটি তৈরি হয়ে যাবে। তারপরেই এখানে পাখি এনে রাখা হবে।”

সম্পর্কিত খবর