চিন্তা নেই থাকা, খাওয়ার! মাত্র ১৬০০ টাকায় রাম মন্দির দর্শন, হাওড়া থেকে ট্রেন চালাবে রেল

নব বধূর সাজে সেজে উঠেছে অযোধ্যা। আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় (Ayodhya) রাম মন্দিরে (Ram Mandir) রামলালার অভিষেক অনুষ্ঠান নিয়ে গোটা দেশে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে রীতিমতো। রামলালাকে স্বাগত জানাতে তৈরি সরযূ নদীর তীরবর্তী জায়গা।

এদিকে এই উপলক্ষে, ভারতীয় রেল (Indian Railways) ২০০ টিরও বেশি আস্থা স্পেশাল ট্রেন চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যাতে আরও বেশি সংখ্যক লোক রাম মন্দির পরিদর্শন করতে পারে। দেশজুড়ে অযোধ্যার জন্য রেলের তরফে বিশেষ ট্রেন চালানো হচ্ছে। রেল মন্ত্রক সূত্রে খবর, বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন শহর, টায়ার-১ এবং টিয়ার ২ শহর থেকে ১০০ দিনের জন্য অযোধ্যা ধাম স্টেশন পর্যন্ত চলবে এই ট্রেন।

   

প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের পর ভক্তদের দেখার জন্য ২৩ জানুয়ারি থেকে খুলে দেওয়া হবে রাম মন্দির। রেলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে এই ট্রেনগুলিতে বুকিং কেবল আইআরসিটিসির (Indian Railway Catering and Tourism Corporation) মাধ্যমে করা হবে। ট্রেনে ভ্রমণ করা যাত্রীদের খাবার নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। কারণ যাত্রীদের নিরামিষ খাবার সরবরাহ করবে IRCTC। এই ট্রেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে রিজার্ভেশন, সুপারফাস্ট ফি, ক্যাটারিং ফি, সার্ভিস চার্জ এবং জিএসটির মতো চার্জ প্রযোজ্য হবে।

দেশের বিভিন্ন শহর থেকে এই আস্থা স্পেশাল ট্রেন ছাড়বে। বাদ যাবে না বাংলাও (West Bengal)। আর এই বিষয়ে পাকাপাকিভাবে বড় কথা ঘোষণা করেছেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি জানান, মাত্র ১৬০০ টাকায় রাম মন্দির দর্শনের ব্যবস্থা করছে রেল। আগামী ২৯ জানুয়ারি হাওড়া স্টেশন (Howrah railway station) থেকে শুরু হবে ‘আস্থা স্পেশ্যাল ট্রেন’ (Aastha Special Train) পরিষেবা।

astha special train

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘সার দেশের লোক অযোধ্যায় দর্শন করতে যেতে চান। এত লোক একসঙ্গে গেলে ছোট্ট শহর অযোধ্যায় অব্যবস্থা তৈরি হবে। তাই ওখানকার আয়োজকরা বিভিন্ন রাজ্যকে আলাদা আলাদা সময় দিয়েছেন। ২২ তারিখের পর সাধারণ মানুষ যাতে দর্শন করতে পারেন, এই জন্য কেন্দ্রীয় সরকারও সহযোগিতা করছে। বিভিন্ন রাজ্য থেকে অযোধ্যার উদ্দেশে শত শত আস্থা স্পেশ্যাল ট্রেন চলবে। তার মধ্যে ২৯ জানুয়ারি হাওড়া স্টেশন থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়বে। ৫টা ট্রেন আপাতত যাবে ৫ দিন। যারা যেতে চান তারা ১৬০০ টাকার টিকিট কাটবেন। আগে জমা দেবেন। তার পর রেল পাস দেবে। ট্রেনে ওঠার পরে বাড়ি ফেরা পর্যন্ত সব দায়িত্ব নেবেন ওনারা। ওখানে বাংলাভাষী ভলান্টিয়ার থাকবে। খাওয়া, থাকা, যাতায়াত সব ব্যবস্থা হবে। সারা ভারতবর্ষকে চারটে জ়োনে ভাগ করে আলাদা আলাদা রংয়ের পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।’

সম্পর্কিত খবর