কেন ATM, বাজার থেকে উধাও হয়ে গেল ২ হাজার টাকার নোট! কারণ জানাল RBI

২০১৬ সালে নোটবন্দীর পর বাজারে ১০০০ টাকার নোটের পরিবর্তে গোলাপী রঙের ২০০০ টাকার নোটের চল বাড়ে। কিন্তু সেইসময় এত বড় অংকের নোটকে খুচরো করার প্রয়োজনে হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াতে হয়। ২০০০ টাকার নোট নিয়ে মানুষের মধ্যে অভিযোগের শেষ ছিলনা। তবে বিগত বহু সময় ধরে বাজার থেকে এই নোট যেন গায়েবই হয়ে গিয়েছে!

অনেকেই বলতে পারেন যে, কালোবাজারির সাথে যুক্ত মানুষেরা এই নোটকে বাজার থেকে লুকিয়ে দিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এটা মোটেই সঠিক কারণ নয়। রিজার্ভ ব্যাংকের বার্ষিক রিপোর্ট থেকে এই বিষয়ে কিছু নতুন তথ্য সামনে এসেছে। RBI এর থেকে প্রাপ্ত লেটেস্ট রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৯-২০ অর্থবর্ষ থেকে ২০২১-২২ অর্থবর্ষ অবধি, অর্থাৎ পরপর ৩ টি অর্থবর্ষে একটিও ২০০০ টাকার নোট ছাপা হয়নি। ফলে বাজার থেকে ধীরে ধীরে উধাও হতে শুরু করে নোটগুলি।

২০০০ টাকার নোট প্রথম সামনে আসে ২০১৬ সালে। পুরাতন ৫০০ এবং ১০০০ এর নোট নিষিদ্ধ হলে সামনে নিয়ে আসা হয় নতুন ডিজাইনের ৫০০ এর নোট এবং সম্পুর্ণ নতুন ২০০০ এর নোট। দেশের অন্দরে নোটের ব্যাপক চাহিদাকে মেটানোর জন্য এই বড় অংকের নোটের প্রচলন করা হয়। কিন্তু এই নোট নিয়ে সমস্যা বাড়ে জনগণের।

রিজার্ভ ব্যাংকের থেকে প্রাপ্ত তথ্যনুসারে ২০১৭ সালের ৩১ মার্চ অবধি ২০০০ টাকার নোট বাজারে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ছিল, যা মোট নোটের ৫০.২% দখলে রাখে। আর আজ (২০২২ সালের ৩১ শে মার্চ) মাত্র ১৩.৮ শতাংশ ২০০০ টাকার নোটের প্রচলন রয়েছে। যদিও নোটগুলো বন্ধ করেনি RBI, কিন্তু ছাপা বন্ধ করে দিয়েছে। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাস থেকে এই নোট আর ছাপা হয়নি।

2000 note money

RBI ২০০০ এর নোট না ছাপার কারণে মানুষের হাতে সেগুলো আর বড় একটা দেখা যাচ্ছে না। আর একই কারণে ATM এও খুব বেশি দেখা যায়না ২০০০ এর নোট বেরোতে। আবার মার্কেটে যে কয়টি ২০০০ এর নোট ছিল তাও কালোবাজারিরা সরিয়ে দেওয়ায় নোটগুলোকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button