ভয়ে কাঁপবে শত্রুরা, চালকবিহীন স্বদেশী যুদ্ধবিমান তৈরি করল ভারত! DRDO-র বড় কীর্তির ভাইরাল ভিডিও

২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসেই Make in India স্লোগান দিয়ে ভারতকে বদলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০১৯ এ আত্মনির্ভর ভারত এর লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দেন। তার শাসনকালে দেশ আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল আত্মনির্ভরতার দিকে। এবার সামরিক দিকে ভারতের উন্নতি ঘটলো আরেকধাপ।

নজিরবিহীন সাফল্য এনে দিল দেশের গর্ব DRDO। এবার কোনরকম চালক ছাড়াই উড়বে সামরিক বিমান! আকাশপথে শত্রুর এবার রেহাই নেই আর। শুনতে অনেকটা কল্পবিজ্ঞানের গল্পের মতো হলেও এই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। শুক্রবার বিমানের সফল উড়ান পরীক্ষা, দেশের সাফল্যের মুকুট আরেকটি পালক যোগ করেছে।

সম্পূর্ন দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই বিমানের গর্জন এবার ভয় ঢুকিয়েছে ভারতের দুই শত্রুদেশ পাকিস্তান এবং চীনের মধ্যে। কর্ণাটকের চিত্রদুর্গায় এই চালকহীন বিমানের সফল পরীক্ষণ হয়েছে। DRDO এর পাশাপশি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিমানের সফল উড়ান পরীক্ষণের ভিডিও আপলোড করেন। DRDO জানিয়েছে যে, “আমরা একটি যুদ্ধবিমান তৈরি করার চেষ্টায় ছিলাম। এমতাবস্থায়, ভারতেই তৈরি যুদ্ধবিমানটি সফলভাবে পরীক্ষা করা হল। নিঃসন্দেহে এটি একটি বড় সাফল্য। তবে, এখনও এই বিমানের কোনো নাম দেওয়া হয়নি। এই বিমানে কোনো পাইলটের প্রয়োজন নেই। পরীক্ষার সময় টেক অফ করার পরে নির্দিষ্ট জায়গা পর্যন্ত উড়ে গিয়েছে বিমানটি। তারপরে সেটি নিখুঁতভাবে মাটিতে নেমে এসেছে।”

রাজনাথ সিং ও ট্যুইটে অভিনন্দন জানিয়ে লেখেন যে, “DRDO-কে অনেক অনেক অভিনন্দন। এই যুদ্ধবিমান চালানোর সফল পরীক্ষা আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার পথে অন্যতম সফল একটি প্রয়াস। ভবিষ্যতেও এমন ভাবেই ভারতীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বদেশি প্রযুক্তির ক্রমশ ব্যবহার করা হবে।”

আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, এই চালকহীন বিমানের ডিজাইন এবং তৈরির দায়িত্বে ছিল অ্যারোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট এসট্যাবলিশমেন্ট (ADE) এবং DRDO। এখন ইঞ্জিন খুব শক্তিশালী না হলেও ভবিষ্যতে আরো অনেক শক্তিশালী ইঞ্জিন লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া এই পরীক্ষায় সফল হওয়ায় প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আটকনির্ভরতার দিকে আরেক কদম এগিয়ে দিল আমাদের দেশ।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button