বাবার পর এবার মুখ খুললেন ‘Amrela” খ্যাত সুদীপ্তা, ভিডিও পোস্ট করে জানালেন সত্যি ঘটনা

এ দুনিয়ায় কতই না ভিডিও (Video) ভাইরাল হয়। অনেক সময় সেই ভিডিওগুলো দেখে আমরা মজা পাই, আবার অনেক সময় সেই ভিডিওগুলোর কারণে অনেকর জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। তেমনই একজন হলেন সুদীপ্তা। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ পেতেই রাজ্যজুড়ে ধুন্ধুমার অবস্থার সৃষ্টি হয়। জায়গায় জায়গায় বিক্ষোভ করতে শুরু করে ফেলু ছাত্র-ছাত্রীরা। কিছুজন ফেলের ধাক্কা সইতে না পেরে অন্তিম পথ বেছে নেয়, কিন্তু এসবের মধ্যে একটি ভিডিও বিশেষ ভাইরাল হয়।

আপনি নিশ্চয়ই এই ভিডিওটি দেখেছেন। আসলে উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরোতেই নদীয়া জেলার পরীক্ষার্থী সুদীপ্তা বিশ্বাস এবং তার কিছু বন্ধু বান্ধবী পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়ে পড়েন। তারা প্রত্যক্ষ দাবি করেন যে, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে যেখানে তারা এত বেশি নাম্বার পেয়েছেন সেখানে ইংরেজিতে তারা ফেল করেন কিভাবে? তাদের অভিযোগ ছিল যে, ইচ্ছাকৃভাবেই ফেল করানো হয়েছে তাদের। তাই তারা পাশের দাবিতে নেমে পড়েন বিক্ষোভে।

এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে গিয়েছেন যে, কোন ভিডিওর কথা বলছি আমরা। হ্যাঁ সেই Umbrella বানান ভুল করা মেয়েটির কথাই বলছি। তার নাম সুদীপ্তা বিশ্বাস। এক সাংবাদিক তাকে Umbrella বানান জিজ্ঞাসা করলে তিনি অনেক কষ্ট Amrela বলতে পারেন। আর তারপরই চরম ভাইরাল হয় ভিডিওটি। এমনকি তার বাবাকে পর্যন্ত মাঠে নামতে হয় মেয়েকে বাঁচাতে। কিন্তু Amrela বলার পর এদিন আবার নিজেই মুখ খুলেছেন সুদীপ্তা, কিন্তু কি বললেন তিনি?

তাকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, সেই ঘটনার পর থেকে যেভাবে তাকে নিয়ে সমালোচনা করা হচ্ছে এ ভারী অন্যায়। অনেক মিথ্যা প্রচার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তার। এবার তার মারা যাওয়ার খবরে বেশ ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন তিনি। নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওই ভিডিওতে।

শুধু তাই নয়, সুদীপ্তর দাবি এই যে, কিছু তথ্য ছড়ানো হচ্ছে চারিদিকে সেগুলো সর্বৈব মিথ্যা। তার পুরনো ভিডিও টেনে এনে বর্তমানের বলে ট্রোল চলছিল তাকে নিয়ে। এমনকি নেটমাধ্যমে এক ইউটিউবারের তার ভাইকে, বয়ফ্রেন্ড বলার কারণে ক্ষেপে লাল হয়ে যান সুদীপ্তা। এছাড়া তার বাবা মাকে নিয়েও বেশ নোংরামি শুরু হওয়ায় এদিন তাদেরও একহাত নেন তিনি। যদিও Umbrella এর সঠিক বানান আজও বলেনি তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগে তার বাবা’ও এই বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন। সুদীপ্তার বাবা জানিয়েছিলেন যে, সেদিনের ওই ঘটনার পর তার মেয়ে এবং তার গোটা পরিবারের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। পাড়া-প্রতিবেশী থেকে শুরু করে সবাই তাদের নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করছেন, এমনকি তাদেরকে গালাগালও দেওয়া হচ্ছে। ছাত্রীর বাবা আরও জানান যে, ইতিমধ্যে তার মেয়ে তিনবার আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছে।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button