দীঘা যাওয়ার আগে সেভ করে নিন এই নম্বর! বিপদ থেকে হবেন উদ্ধার

কথাতেই আছে, উঠল বাই তো চলো কটক যাই। বাঙালির ভ্রমণটাও কিন্তু ঠিক তাই। অনেকেই আছেন যারা মাসের পর মাস ধরে পরিকল্পনা করে কোথাও ট্যুর প্ল্যান করেন। তো আবার কেউ কেউ আছেন যারা বিকেলে প্ল্যান করলেন তো রাতে বাস বা ট্রেনে করে কোথাও চলে গেলেন। আর কম সময়ের মধ্যে এবং কম বাজেটের মধ্যে ভ্রমণপ্রিয় বাঙালির মাথায় সর্বপ্রথম যে জায়গাটির নাম প্রথমে আসে সেটি হল দীঘা (Digha)। এই দীঘা কিন্তু বাঙালিদের কাছে একটা আলাদাই ইমোশনের জায়গায়। শীত হোক বা গ্রীষ্ম, বর্ষা, সবকিছুকে উপেক্ষা করে বছরে কয়েকবার দিঘা ভ্রমণ মাস্ট।

বড় উদ্যোগ নিল দীঘা প্রশাসন

এদিকে রাজ্যে শীত এসে গিয়েছে। আর এই শীতের হিমেল হাওয়া গায়ে মেখে অনেকেই নিশ্চয়ই দিঘা ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? তাহলে সেখানে যাওয়ার আগে ঝটপট পড়ে ফেলুন এই প্রতিবেদনটি। দিঘায় ঘুরতে যাওয়া পর্যটকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছে দীঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদ (Digha Sankarpur Development Authority)। আর বার্তা সকলকে মেনে চলারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নইলেই হতে পারে বিপদ।

   

বিশেষ করে এই শীতে যারা দীঘায় পিকনিক করতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাঁদের জন্য রয়েছে বড় খবর। ইতিমধ্যে দীঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের তরফে একটি ফোন নম্বর অবধি জারি করা হয়েছে। এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন যে কীসের জন্য এই নম্বর জারি করা হল হঠাৎ? মূলত দিঘাকে পরিষ্কার পরিছন্ন রাখার বার্তা দেওয়া হচ্ছে সকলকে। তবে দীঘা ঘুরতে গিয়ে যদি কেউ কোনও সমস্যায় পড়ে তাহলে 7501295001 এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ করে মেসেজ ও ছবি পাঠাতে বলা হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

পরিচ্ছন্ন রাখার ডাক

শীতের সময়ে যে কোনও জায়গায় পর্যটকদের ঢল নামে। সেইসঙ্গে পিকনিকের হিড়িক তো রয়েইছেই। তবে এই পিকনিক মানেই হল একগাদা নোংরা জড়ো হওয়া। এই নোংরার হাত থেকে রেহাই পায়নি দিঘা সমুদ্র সৈকত। আর এই বিষয়টি রুখতেই দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের এক্সিকিউটিভ অফিসার সৈকত হাজরার আহ্বান, “দিঘায় আসা পর্যটকদের জানানো হচ্ছে যাঁরা বনভোজন বা পিকনিক করতে দলবদ্ধভাবে এসেছেন, তাঁরা বনভোজনের আনন্দ উপভোগ করার সঙ্গে পরিবেশেরও খেয়াল রাখুন। আপনাদের ব্যবহার করা থালা, বাটি, গ্লাস, কাগজের কাপ, মশলার প্যকেট ইত্যদি যেখানে সেখানে ফেলবেন না। আমাদের সহকর্মীরা যেখানে সেগুলো জমা করতে বলবেন সেখানেই সেই আবর্জনা জমা করুন। যাতে সেগুলো সুষ্ঠভাবে আমাদের সহকর্মীরা সংগ্রহ করে নিকটবর্তী ভ্যটে গিয়ে পরে ফেলে আসতে পারেন।” শুধু তাইই নয়, দিঘায় গিয়ে যদি কোনও হোটেলে সমস্যা পড়েন। বা টোটো, হোটেল বেশি ভাড়া চায়, তাহলেও এই নম্বরে যোগাযোগ করলে সমস্যার সমাধান হবে।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর