দিঘা, সুন্দরবন জুড়ে ছড়াল নয়া আতঙ্ক! চরম উদ্বেগে পর্যটকরাও, হঠাৎ হল কী?

দিঘা (Digha) হল বাঙালিদের কাছে একটা আবেগের নাম। মন ভালো থাকুক আর খারাপ, বাঙালিরা কোথাও যাক আর না যাক, দিঘায় দু একদিনের জন্য ঢুঁ মারবেনই। বাঙালিদের ভ্রমণ তালিকায় দিঘার পর আরও কয়েকটি নাম রয়েছে, সেগুলি হল দার্জিলিং (Darjeeling), পুরী (Puri) এবং সুন্দরবন (Sundarbans)। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ এই জায়গাগুলিতে ঘুরতে যান। এদিকে প্রশাসনের তরফেও পর্যটকদের জন্য এই ঘোরার স্থানগুলিতে নানান রকমের বন্দোবস্ত করা হয়। তবে, বর্তমানে বাঙালির ভ্রমণের দুই সেরা ঠিকানায় পর্যটক সহ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।,

গত শুক্রবার দুপুরের দিকে দিঘা সহ আশেপাশের উপকূলে একটি বিকট আওয়াজ শোনা যায়। তবে এই আওয়াজ কীসের, তা এখনও কেউ ঠাওর করা যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতো শুধু বিকট আওয়াজই নয়, সাথে সাথে কেঁপে ওঠে মাটিও। তাহলে কী ভূমিকম্প? ভূমিকম্পের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

   

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুক্রবার দুপরের দিকে সুন্দরবনের বকখালিতে একটি বিকট আওয়াজ শোনা যায়। এর সাথে কেঁপে ওঠে মাটিও। সেই মুহূর্তেই স্থানীয় এবং পর্যটকদের মধ্যে গভীর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানান যে, শব্দের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, বাড়িঘর অবধি কেঁপে ওঠে। তাঁরা জানান, মনে হচ্ছে পাহাড় থেকে বড় একটি পাথরের চাই ভেঙে পড়েছে।

অন্যদিকে, প্রশাসন এই শব্দের আসল কারণ জানতে না পারলেও, বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, উপকূলবর্তী এলাকায় অনেক সময় পাহাড়ের মতো পলি জমে যায়। আর বড় ঢেউয়ে সেই পলি ভেঙে পড়লে, এমন বিকট আওয়াজ হতে পারে। তবে সেই কারণেই যে এই আওয়াজ হয়েছে, তা তাঁরা নিশ্চিত নয়।

এদিকে, DRDO-র তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওড়িশার চাঁদিপুর উপকূলের মতোই পশ্চিম মেদিনীপুরের জুনপুট উপকূল থেকে এবার রকেট উৎক্ষেপণ হবে। ভারত সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় এই পরীক্ষণ চালাবে DRDO। এই খবর সামনে আসার পর থেকে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তাঁরা জানিয়েছে যে, উপকূল থেকে রকেট উৎক্ষেপণ হলে আশেপাশের এলাকায় মাছ আর পাওয়া যাবে না, তাঁদের রুটি রুজি উজাড় হয়ে যাবে।

সম্পর্কিত খবর