অফিস ছিল না, গ্যারেজ থেকেই শুরু করেছিলেন ব্যবসা! আজ ২৬,০০০ কোটি টাকার মালিক

জীবনে অনেক মানুষ যারা অনেক পরিশ্রম করার পরেও সফল হয় না, কারণ তারা নিজেদের লক্ষ্যকে ছোট রাখে এবং ব্যর্থ হলে দ্রুত হাল ছেড়ে দেয়। কিন্তু আজ এমন একজন ব্যক্তির সম্পর্কে বলতে চলেছি যিনি খুবই সহজ জীবনযাপন করলেও নিজের লক্ষ্যের প্রতি ছিলেন অটল এবং অনড়।

তিনি বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সেই স্বপ্নকে সার্থক করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতেও পিছপা হননি। মাত্র তেরো বছর বয়সে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে ছিল সে। মেকানিক হিসাবে নিজের কাজ শুরু করলেও,আজ তার নাম বিশ্বে কয়েকটি প্রসিদ্ধ মনের সাথে সমস্বরে উচ্চারিত হয়।

মাত্র ১৩ বছর বয়সে মেকানিকের কাজ শুরু করা অরুণ পুদুরের জীবনী অনেককেই অনুপ্রানিত করে। তিনি আজ সারাবিশ্বেই সমাদৃত হন। কিন্তু চিরকালই এরকম ছিলনা তার জীবন, অরুণের বাবা ছিলেন ফটোগ্রাফার এবং তার মা ছিলেন গৃহিণী। খুবই সাদামাটা ছিল অরুনের শৈশবকাল।

প্রতি শুক্রবার তার বাবার ছবি মুক্তি পাওয়ায় ওইদিন তাদের বাড়িতে টাকা আসত। ওই একটি মাত্র কাজের ওপর ভর করেই চলত তাদের সংসার। এমন অবস্থায় মাত্র ১৩ বছর বয়সী অরুণ তার বাবার কাছে গ্যারেজে কাজ করার অনুমতি চাইলেন। তার এক মেকানিক বন্ধুকে দেখে তিনি এই কাজ করতে শিখেছিলেন।

এরপর নিজেই একদিন সেই গ্যারাজ কিনে নেন অরুণ। অল্প সময়ের মধ্যে সমস্ত কাজ শিখে ফেলা অরুণ কম সময়ের মধ্যেই মানুষের মধ্যে বিখ্যাত হয়ে ওঠে। মাত্র ১৫ মিনিটেই গাড়ির ইঞ্জিন খুলে দিতে পারতেন তিনি। ভালো কাজ করায় বিখ্যাত হয় তার গ্যারাজ। কিন্তু এরপর অরুণকে তার বাবা পড়াশোনায় মন দিতে বললে গ্যারাজটি বিক্রি করে দেয় সে।

arun pudur

কিন্তু অরুণ থেমে থাকেন নি। পরবর্তীতে অরুণ আরও অনেক কাজের সাথে যুক্ত হন। সেখানে তিনি কুকুরের বংশবৃদ্ধি করা ছাড়াও প্রজননের জন্য উপযুক্ত কুকুর বিক্রি করতেন তিনি। এসময় এক একটা কুকুরের জন্য ২০ হাজার টাকা পেতেন তিনি। রোজগার বাড়লে তিনি তার বাবাকে অবসর নিতে বলেন, আর তার কিছুদিন পরই অরুণ সেলফ্রেম নামে একটি নতুন কোম্পানি শুরু করেন। আজ এই কোম্পানি সবচেয়ে বিখ্যাত ওয়ার্ড প্রসেসর তৈরি করে। অরুণের কোম্পানি celframe আজ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সংস্থা। এরপর ২১ বছর বয়সেই কোটিপতি হন তিনি, আর ২৬ বছর বয়সে আরবপতি হন তিনি।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button