আম্বানি, মাস্কের দিন শেষ! এবার স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড আনছেন মিত্তল, বাজার কাঁপাবে Airtel

যত সময় এগোচ্ছে ভারত ততই যেন টেকনোলোজিকালি উন্নত হয়ে যাচ্ছে। এখন শুধু মাটিতেই নয়, মহাকাশেও ভারতের রমরমা চোখে পড়ছে। এখন গোটা বিশ্বই নজর রাখছে ভারতের দিকে। তবে এবার ভারতের গর্ব বাড়াতে চলেছে ভারতী এয়ারটেল। আগে একটি বিশেষ করে সকলকে চমকে দিয়েছিল Jio, স্টারলিঙ্ক। তবে এবার এই তালিকায় নাম তুলল এয়ারটেল।

এবার মহাকাশ জগতে পাড়ি দেবে এয়ারটেল। শোনা যাচ্ছে, এয়ারটেল যে গতিতে স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড পরিষেবা সরবরাহ করার পরিকল্পনা করছে, শীঘ্রই এটি ভারতে ব্রডব্যান্ড-ফ্রম-স্পেস পরিষেবা সরবরাহ করা প্রথম গ্লোবাল স্যাটেলাইট সংস্থা হয়ে উঠবে। এর আগে মুকেশ আম্বানির জিও কিংবা ইলন মাস্কের স্টারলিঙ্ক এই কাজ করেছে। তবে এবার পালা এয়ারটেলের। এয়ারটেল প্রশাসনিক রুটের মাধ্যমে ৯০ দিনের জন্য ‘কা’ এবং ‘কু’ ব্যান্ডের ডেমো স্যাটেলাইট স্পেকট্রাম অধিগ্রহণ করেছে, যা স্টারলিংক জোরদার টক্কর দেবে বলে মনে হছে।

   

ইউটেলস্যাট ওয়ানওয়েবের ফোকাস বিজনেস-টু-বিজনেস (B2B) মডেলের উপর। ‘কা’ ব্যান্ড স্পেকট্রাম আর্থ স্টেশন পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যখন ‘কেইউ’ ব্যান্ড ব্যবহারকারীদের টার্মিনালে ঢুকতে সাপোর্ট করে। এক রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউটেলস্যাট ওয়ানওয়েব একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক লঞ্চের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, যার জন্য এটি ভারতের প্রতিরক্ষা এবং পাবলিক সেক্টর সংস্থাগুলির প্রধান গ্রাহকদের সাথে তার স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কেও পরীক্ষা করছে। টেলি যোগাযোগ বিভাগ দ্বারা নির্ধারিত নিয়ন্ত্রক কাঠামো মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সংস্থাটি শীঘ্রই বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট স্পেকট্রাম বরাদ্দ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

DoT স্যাটেলাইট স্পেকটার্মের প্রশাসনিক বরাদ্দ এবং মূল্য নির্ধারণ চূড়ান্ত করার ব্যাপারটি এখনও আলোচনা পর্যায়তেই রয়েছে। প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ২০২৩ সালের নতুন টেলিযোগাযোগ আইন এখন অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ চ্যানেলের মাধ্যমে স্যাটেলাইট স্পেকট্রাম বরাদ্দের সুবিধা দেয়।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর