স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের! আপনার কার্ড আছে? তাহলে চরম সুখবর

এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial intelligence) দ্বারস্থ হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government Of West Bengal)। হ্যাঁ শুনতে অবাক লাগলেও এটাই কিন্তু সত্যি। মূলত এবার কারচুপি রুখতেই এবার এআই ব্যবহার করবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকার বলে খবর। এখন আপনার মনেও নিশ্চিয়ই প্রশ্ন জাগছে যে কিসে কারচুপি রুখতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করবে সরকার? তাহলে বিস্তারিত জানতে ঝটপট পড়ে ফেলুন প্রতিবেদনটি।

আপনার কাছেও কি স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (Swasthya Sathi) আছে? তাহলে আপনার জন্য রইল একটি বিরাট খবর। এই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে আবারো একবার নতুন করে বড় সিদ্ধান্তের পথে হাঁটলো রাজ্য সরকার। এই স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের পরিষেবায় ব্যবহার হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। বলা ভালো, এই কার্ড নিয়ে কারচুপি রুখতে AI ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

   

হাসপাতালে চড়া বিল নিয়ে একপ্রকার নাভিশ্বাস উঠে যায় সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মানুষের। বেশ কয়েকবার এ অভিযোগ উঠেছে যে অনেক হাসপাতাল প্রয়োজন এর তুলনায় বেশি বিল তৈরি করছে। বহু বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিংহোম জালিয়াতি করে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের টাকা তুলে নিচ্ছে। তবে আর এই জালিয়াতি করা যাবে না।

এমনিতেই জালিয়াতি রুখতে একাধিক ব্যবস্থা করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। যদিও তারপরেও ভুড়িভুঁড়ি অভিযোগ তুলেছেন মানুষ। কিন্তু আর নয়। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে জালিয়াতি ঠেকাতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগাতে স্বাস্থ্য দফতর বলে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে।

ai

মূলত এই AI-কে কাজে লাগিয়ে বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিংহোমের তৈরি করা ভুয়ো রিপোর্ট এবং জাল কাগজপত্র ধরবে সরকার। এই প্রসঙ্গে বড় তথ্য দিয়েছেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। তিনি জানিয়েছেন, যদি কেউ চিকিৎসার জন্য নথিপত্র জমা দেন সে ক্ষেত্রে ফটোশপের সাহায্যে যদি অন্যের নাম বসিয়ে স্বাস্থ্য সাথী বেঞ্চে জমা দেওয়া হয় তাই অনায়াসে ধরে ফেলবে এই প্রযুক্তি। এছাড়া, রিপোর্টে অন্যের নাম বসানো হলেও তা ধরে ফেলবে এআই প্রযুক্তি। এছাড়া বড় চিকিৎসকের নাম করে ভরতি করিয়ে যদি কম অভিজ্ঞ চিকিৎসক অস্ত্রোপচার করে থাকেন সে বিষয়টিও অনায়াসেই ধরে ফেলা সম্ভব হবে। সে ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার চিকিৎসকদের একটি অ্যাপ দিচ্ছে।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর