এবার ভারতীয় সেনায় STEAG ইউনিট! AI প্রযুক্তির সঙ্গে করবে কাজ, কাঁপবে চিন-পাকিস্তান

যত সময় এগোচ্ছে ততই ভারত নিজেদেরকে আরও শক্তিশালী করতে উদ্যত হচ্ছে। যেমন ধরা যাক সেনার ক্ষেত্রে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও ভারতীয় সেনাকে শক্তিশালী করার কাজ করে চলেছে সরকার। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটল না। এবার ভারতীয় সেনা নিয়ে এমন এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যা শোনা ও জানার পর ভারতের দিকে চোখ তুলে তাকাতে ভয় পাবে চিন ও পাকিস্তান।

এতদিন বিদেশী সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রে ব্যাপারটি দেখা যেত। কিন্তু এবার ভারতীয় সেনার এমন একটি ইউনিট তৈরি হচ্ছে যা দেখে ভিয়ে কাঁপবে যে কেউ। আসলে সেনাবাহিনী সিগন্যাল টেকনোলজি ইভালুয়েশন অ্যান্ড অ্যাডাপটেশন গ্রুপ (STEAG) নামে একটি এলিট ইউনিট তৈরি করেছে। এই ইউনিট ভবিষ্যতের যোগাযোগ প্রযুক্তি যেমন AI, 5G, 6G, মেশিন লার্নিং, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ইত্যাদি গবেষণা ও মূল্যায়ন করবে। সেনাবাহিনীর কাজে এসব কৌশল ব্যবহার করা হবে বলে খবর।

   

এই প্রসঙ্গে সেনাবাহিনীর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সামরিক অভিযানের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য প্রযুক্তি খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এহেন অবস্থায় সেনাবাহিনীর আরও ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে এবং বিভিন্ন সেনাদের মধ্যে দ্রুত তথ্য প্রেরণ করতে সক্ষম করতে কিছু নতুন ব্যবস্থা আনা জরুরি হয়ে পড়েছে। আর এতে করে শত্রুদেরও ঠেকানো সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আধুনিক যুদ্ধের জন্য সামরিক অভিযানের সময় পৃথক ইউনিট এবং সেনাদের একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে সহায়তা করার জন্য প্রচুর নতুন সরঞ্জাম প্রয়োজন। একজন সিনিয়র সেনা আধিকারিক জানিয়েছেন যে, ‘এই প্রয়োজন পূরণের জন্য STEAG গঠন করা হয়েছে। এর ফলে ভারতীয় সেনাবাহিনী নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করতে পারবে। এতে করে আমাদের ১২ লক্ষ সেনার ডিজিটাল যুদ্ধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।’ জানা যাচ্ছে, একজন কর্নেল পদমর্যাদার কর্মকর্তার নেতৃত্বে এসটিইএজি সব ধরনের তারযুক্ত ও তারবিহীন যোগাযোগ সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করবে। এর মধ্যে রয়েছে টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, মোবাইল যোগাযোগ, বিশেষ সফটওয়্যারযুক্ত রেডিও, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, ৫জি ও ৬জি নেটওয়ার্ক, আধুনিক কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মেশিন লার্নিংয়ের মতো বিষয়।

এই ইউনিটটি বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার, উদ্ভাবনের সুবিধা গ্রহণ এবং প্রতিরক্ষা খাতে এই প্রযুক্তিগুলি প্রয়োগের উপায় খুঁজে বের করার ক্ষমতা সম্পন্ন প্রথম ইউনিট হবে। একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতায় এই কাজ করা হবে।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর