নেই উজ্জ্বলতা, পেকে গিয়েছে চুলও! থুড়থুড়ে বুড়ি হলেন শুভশ্রী! রাজ ঘরণীর নতুন লুকে দারুণ চমক

বিগত কয়েকবছর ধরেই দেখা যাচ্ছে যে গতানুগতিক কমার্শিয়াল ছবির বদলে একটু ভিন্ন ধরণের ছবিতে কাজ করছেন শুভশ্রী গাঙ্গুলি (Subhashree Ganguly)। ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি পরিণীতা, হাবজি গাবজি, ধর্মযুদ্ধ, বিসমিল্লার মতো ছবি। যার মধ্যে পরিণীতা আর হাবজি গাবজি ভালো প্রশংসা কুড়োলেও মুখ থুবড়ে পড়েছে ধর্মযুদ্ধ এবং বিসমিল্লা। যদিও সেটা এখানে প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। উল্লেখ্য হলো যে, খুব শীঘ্রই তাকে আবার দেখা যাবে বৌদি ক‍্যান্টিন এবং ইন্দুবালা ভাতের হোটেল,এই দুটি প্রোজেক্টে।

আসলে ওটিটি প্লাটফর্মের রমরমায় ভাষা এখন বিনোদনের ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়না। মানুষ এখন কন্টেন্টের পেছনে ছুটছে। আর সেই জায়গা থেকেই মার খাচ্ছে বাংলা কমার্শিয়াল ছবিগুলি। তাই এই ইঁদুর দৌঁড়ে টিকে থাকতে গেলে নিজেকে বদলাতে হবে এটাই স্বাভাবিক। আর ঠিক এটাই করছেন রাজ ঘরনী শুভশ্রী। নিজের অভিনয় প্রতিভাকে ঘষেমেজে ধারালো করার চেষ্টায় রয়েছেন তিনি।

এই দুটি কাজই তার পূর্বের করা তথাকথিত কমার্শিয়াল ছবির থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। সত্যি বলতে এই প্রোজেক্ট গুলিতে শরীরে হিল্লোল তোলার মতো গান বা দেশ বিদেশের চোখ ধাঁধানো লোকেশনের ঝলক নেই বটে, কিন্তু এতে কিছু একটা তো টান আছেই। শুভশ্রীর এই নতুন প্রয়াস মনেও ধরছে দর্শকদের। এরই মধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে অভিনেত্রীর ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’ সিরিজের প্রথম লুক। আর তারপর থেকেই দর্শকমহলে উত্তেজনা তুঙ্গে।

কোথায় মাথাভর্তি ঘন কালো কেশ রাশি, আর কোথায় টানটান চকচকে ত্বক। এ যেন শুভশ্রীর বদলে অন্য কেউ। মাথায় পাতলা পাকা চুল খোঁপা করে বাঁধা। মুখ আর হাতের তামাটে চামড়ায় অজস্র বলিরেখা। চশমার মোটা কাঁচের আড়ালে ঘোলাটে দুই চোখ। কুঁচকে যাওয়া ঠোঁটের কোনে রহস্যময় হাসি। প্রস্থেটিক মেকাপের আড়ালে ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’-এর অ্যানা হয়ে উঠেছে ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’-এর এক বৃদ্ধা।

সম্প্রতি স্ত্রী শুভশ্রীর এই ছবিটি শেয়ার করে রাজ লিখেছেন, ‘নিজেকে ভেঙে ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’-এ পঁচাত্তর বছর বয়সী একজন মহিলার চরিত্রে অভিনয় করার সাহসিকতাকে আমি কুর্নিশ জানাই৷ হ‍্যাটস অফ গোটা টিম-কে। জানি খুব ভালো হবে। অপেক্ষায় রইলাম৷’ প্রসঙ্গত, ইন্দুবালা ভাতের হোটেল আসলে কল্লোল লাহিড়ির লেখা একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। সেটাকেই নিজের মতো করে পর্দায় উপস্থাপিত করতে চলেছেন পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্য।

উপন্যাসটি যারা পড়েছেন তারা তো এর গল্প সম্পর্কে অবগত। কিন্তু যারা পড়েননি তাদের জন্য বলি, পূর্ববঙ্গের মেয়ে ইন্দুবালা পরে চলে আসেন এপারে। সন্তানদের মুখ চেয়ে ওই সময়ে স্বাবলম্বী হয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে তার এই হোটেলের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিলো চারিদিকে। তবে এখানেই শেষ নয়। এর সাথে রয়েছে আরো চমক। শোনা যাচ্ছে চরিত্রটিকে নিখুঁত করে তুলতে সোহিনী সেনগুপ্তের শরণাপন্ন হয়েছেন শুভশ্রী।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button