কেন্দ্রের সঙ্গে শুরু করুন এই ব্যবসা, মিলবে ২.৫ লাখ টাকা সাহায্য ও প্রতিমাসে হবে মোটা আয়

বর্তমান প্রজন্মের কাছে দশটা-পাঁচটার চাকরির তুলনায় নিজস্ব ব্যবসা (Business) বেশি গ্রহণযোগ্য বলে মনে হচ্ছে। তবে ব্যবসা করার চিন্তাভাবনা করলেই ব্যবসা করা যায়না। প্রয়োজন হয় পুঁজি, ব্যবসার বিষয়বস্তু নানান বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা। এমতাবস্থায় আপনিও যদি কোনো ব্যবসা করার সন্ধানে আছেন তাহলে এই প্রতিবেদনটি অবশ্যই পড়ুন‌।

প্রসঙ্গত, কোরোনা সময়কাল থেকেই মেডিক্যাল সেক্টর গুলির চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি চাইলে মেডিকেল সেক্টরে নিজের ভবিষ্যৎ তৈরি করতে পারেন। মানুষের সুবিধা-অসুবিধায় ওষুধের মতো প্রয়োজনীয় জিনিসকে প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য করে তোলার জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জন ঔষধি কেন্দ্র’ খোলার সুযোগ করে দিচ্ছে। আর এতে মিলবে সরকারি সাহায্যও।

সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালে ভারতের মধ্যে গোটা দেশে ১০০০০ এরও বেশি প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জন ঔষুধী কেন্দ্রে খোলার পরিকল্পনা করেছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী জন ঔষধি কেন্দ্র যোজনা কি? মোদী সরকারের প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জনঔষধী পরিকল্পনা হল এমনই একটি প্রকল্প, যার অধীনে শুধু কর্মসংস্থানই নয়, রোগীরা বাজারের দামের তুলনায় অনেক কম দামে ওষুধ পান। ইতিমধ্যেই দেশে প্রায় ৬০০০ এরও বেশি জন ঔষুধী কেন্দ্র চালু হয়ে গেছে এবং এখনও হাজার হাজার জন ঔষুধী কেন্দ্র খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। জন ঔষুধী কেন্দ্র খুলতে খুব বেশি খরচ হয় না এবং যতটুকু খরচ হবে সরকার আপনাকে ধীরে ধীরে ফেরত দেবে। এ ছাড়া প্রতি মাসে ভালো কমিশনও পাবেন।

জন ঔষধি কেন্দ্র কে খুলতে পারবেন? জন ঔষধি কেন্দ্র খোলার জন্য সরকার তিনটি বিভাগ তৈরি করেছে। প্রথম বিভাগে, যে কোনও ব্যক্তি, বেকার ফার্মাসিস্ট, একজন ডাক্তার বা একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার জন ঔষধি কেন্দ্র খুলতে পারেন। একই সময়ে, ট্রাস্ট, এনজিও, প্রাইভেট হাসপাতাল ইত্যাদি দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে আসে। তৃতীয় বিভাগে, রাজ্য সরকার কর্তৃক মনোনীত সংস্থাগুলি সুযোগ পাবে। অর্থাৎ, আপনি যদি জনঔষধী কেন্দ্র খুলতে চান, তবে আপনার ডি ফার্মা বা বি ফার্মার ডিগ্রি থাকতে হবে। আবেদন করার সময় প্রমাণ হিসেবে ডিগ্রি জমা দিতে হবে। PMJAY-এর অধীনে, ঔষধ কেন্দ্র খোলার জন্য SC, ST এবং শারিরীক প্রতিবন্ধী আবেদনকারীদের ওষুধের জন্য অগ্রীম ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হবে।

সরকার ২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সাহায্য দেবে: জন ঔষধি কেন্দ্র খোলার জন্য সরকার ২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সাহায্য করবে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী অন্তত ২০ শতাংশ লাভ রাখতে পারবেন আপনি। এছাড়াও প্রতিমাসে বিক্রির উপর ১৫ শতাংশ ইনসেনটিভও পাবেন আপনি। যদিও ইনসেনটিভের সর্বোচ্চ সীমা প্রতি মাসে ১০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নকশাল প্রভাবিত এবং উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে প্রণোদনার সর্বোচ্চ সীমা প্রতি মাসে বাড়িয়ে ১৫,০০০ টাকা করা হয়েছে।

jan aushadhi kendra

জানিয়ে রাখি প্রথমে আপনাকে ১ লাখ টাকার ওষুধ কিনতে হবে। পরে সরকার তা পরিশোধ করবে।রেল পাশাপাশি দোকান, ডেস্ক, ফ্রিজ ইত্যাদি কেনার জন্য সরকার আপনাকে ১ লাখ টাকা দিয়ে সাহায্য করবে। এরপর ব্যবসা চালু করতে কম্পিউটার ইত্যাদি সেটাপের জন্য আপনার যা খরচ হবে তার জন্য আরো ৫০ হাজার টাকা পাবেন আপনি।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button