‘মুসলিমদের জন্য অনেক করেছেন দাউদ’, ডনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ জাভেদ মিয়াঁদাদ

দাউদ ইব্রাহিমের প্রশংসায় পঞ্চমুখ পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ। পাকিস্তানের এক সাংবাদিকের সঙ্গে ইউটিউব চ্যানেলে সাক্ষাতের সময় প্রাক্তন ক্রিকেটার কোন রাখঢাক না রেখেই বলেছেন, ‘দাউদ ইব্রাহিম আমাদের জন্য অনেক করেছেন।’

দাউদ মুসলিমদের জন্য অনেক করেছেনঃ জাভেদ মিঞাদাদ

জাভেদ মিয়াঁদাদ দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে এখন পারিবারিক সম্পর্কে আবদ্ধ। দাউদের ছেলের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন জাভেদ মিয়াঁদাদের মেয়ে। জাভেদের মেয়ের নাম মাহরুখ। জাভেদ মিয়াঁদাদের মতে, ‘আমি তাঁকে (দাউদ ইব্রাহিম) দীর্ঘদিন ধরে চিনি। সেই দুবাইয়ের সময় থেকেই ওনার সঙ্গে আমার পরিচয়। এটা আমার জন্য সম্মানের যে তাঁর মেয়ে আমার ছেলেকে বিয়ে করেছে। তিনি উচ্চশিক্ষিত, একটি কনভেন্ট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন।’ জাভেদ মিয়াঁদাদ এখানেই থেমে থাকেননি। দাউদ সম্পর্কে আরও প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ‘মুসলমানদের জন্য অনেক করেছেন দাউদ ইব্রাহিম। মুসলমান সমাজ ওনাকে কোনও দিন ভুলবে না, মনে রাখবে সব সময়।’

   

দাউদ ইব্রাহিম ভারতে একজন মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসবাদী বলে পরিচিত। ১৯৯৩ সালের মুম্বাইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ড এই দাউদ ইব্রাহিম। তিনি ডি-কোম্পানি নামে একটি সিন্ডিকেট চালাতে থাকেন যা ভারতে বেশ সক্রিয়। এটা সকলেই জানেন যে এই ডি কোম্পানি কোনও সাধু কাজের জন্য ব্যবহার করা হয় না। অপরাধ সংগঠন ও জালিয়াতির জন্য ইন্টারপোলের সবথেকে দাগী অপরাধীদের তালিকায় দাউদ ইব্রাহিমের নাম রয়েছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে দাউদ ইব্রাহিম গুরুতর শারীরিক জটিলতা নিয়ে পাকিস্তানের করাচির একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তাঁকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে এসব খবরের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া হয়নি এখনও।

চোর থেকে দাউদের ডন হয়ে ওঠার কাহিনী

দাউদ কিশোর বয়স থেকেই প্রতারণা, চুরি, ডাকাতি ইত্যাদি অপরাধ মূলক কাজ করতে শুরু করেছিল। সে স্থানীয় গ্যাংস্টার এবং ডন বাসু দাদার দলে যোগ দিয়েছিল বলে পড়ে জানা গিয়েছিল। যা স্থানীয় সংগঠিত অপরাধ সিন্ডিকেটের অংশ ছিল। পরে ১৯৭০ সালের শেষের দিকে দাউদ এই গ্যাং থেকে বিভক্ত হয়ে তার বড় ভাই শাব্বির ইব্রাহিম কাসকারের সাথে যুক্ত নিজের গ্যাং গঠন করেন।

ছোটোবেলা থেকে খেলাধুলোর প্রতি ভালোবাসা। এখন পেশা। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লিখছে বিগত কয়েক বছর ধরে।

সম্পর্কিত খবর