২৫ কোটির স্টার্ক নয়, গম্ভীরের তুরুপের তাস ২০ লক্ষের এই ভারতীয়

কলকাতা নাইট রাইডার্সে এবারের তারকার ভিড় আর বেড়েছে। গতবারের তুলনায় এবার নিলামের টেবিলে বাগানের স্ট্র্যাটেজি ছিল অনেক বেশি আগ্রাসী। এবারের নিলাম থেকে অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ককে রেকর্ড মূল্যে দলে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ২৪.৭৫ কোটি টাকায় তাঁকে দলে নিয়েছে কেকেআর। স্টার্কের মতো আইপিএল ইতিহাসের সবথেকে দামী খেলোয়াড় যেমন নাইট স্কোয়াডে রয়েছেন, তেমনই রয়েছেন এম্ন কয়েকজন ক্রিকেটার যারা ২২ গজে সেই অর্থে এখনও প্রতিষ্ঠা পাননি। তেমনই একজনের ওপর বাজি ধরতে পারেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের এবারের মেন্টর গৌতম গম্ভীর।

KKR-এ ফিরেছেন গৌতম গম্ভীর

আসন্ন মরসুমের আগে নাইট সংসারে ফিরে এসেছেন গৌতম গম্ভীর। সম্প্রতি বিদায় নিয়েছেন রাজনৈতিক মহল থেকে। পুরো ফোকাস এখন ক্রিকেটের দিকে করতে পারবেন গৌতম। গম্ভীর বরাবর জুনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন। এবারেও তার ব্যতিক্রম হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। বরং মনে করা হচ্ছে, স্কোয়াডের নামীদামী খেলোয়াড়িদের পাশাপাশি অনামি ক্রিকেটারদের খেলিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন গৌতম গম্ভীর।

গম্ভীরের তুরুপের তাস হবেন রমনদীপ সিং

   

শোনা যাচ্ছে, আসন্ন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ মরসুমে কেকেআরের লুকনো তাস হতে পারেন রমনদীপ সিং। রমনদীপ সিংকে মাত্র ২০ লক্ষ টাকায় দলের সঙ্গে যুক্ত করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। রমনদীপ আদপে একজন অলরাউন্ডার। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে খেলার অভিজ্ঞতা ইতিমধ্যে তাঁর রয়েছে। অতীতে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে কিছু ম্যাচে খেলেছেন।

দলের প্রয়োজনে বল হাতে উইকেট ও ব্যাট হাতে রান করার ক্ষমতা যে তাঁর রয়েছে সেটা ইতিমধ্যে প্রমাণিত। দরকার আরও একটু ঘষামাজা। সেটা গৌতম গম্ভীর চাইলেই করতে পারবেন। ২৬ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার ক্রিকেট প্রেমীদের নজর কেড়েছেন একাধিক ম্যাচে। রমনদীপ ২০২২ সালে মুম্বাইয়ের হয়ে ৫ ম্যাচে ৪৫ রান এবং ৬ উইকেট নিয়ে নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছিলেন।

কলকাতা নাইট রাইডার্স ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর তিনি বলেছিলেন, “আমি কেকেআরের অংশ হতে চেয়েছিলাম। খুশি যে দল আমার সম্ভাবনা বুঝতে পেরেছে এবং আমাকে তাদের সাথে অন্তর্ভুক্ত করেছে। নিলামের সময় আমি কিছুটা নার্ভাস ছিলাম। আমি শুনেছি যে কেকেআর সেই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির মধ্যে অন্যতম যারা কেবল তরুণ খেলোয়াড়দের শুধু সমর্থনই করে না, তাদের দক্ষতাকে সম্মান দিয়ে সেরাটি বের করে আনতে সহায়তা করে।”

ছোটোবেলা থেকে খেলাধুলোর প্রতি ভালোবাসা। এখন পেশা। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লিখছে বিগত কয়েক বছর ধরে।

সম্পর্কিত খবর