চেন্নাইয়ের মুখের গ্রাস কেড়ে KKR-কে করেছিলেন চ্যাম্পিয়ন! কোথায় হারিয়ে গেলেন বিসলা?

অনেক ক্রিকেটারের উত্থানের সাক্ষী থেকেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। দেখতে দেখতে সতেরোতম আসরে পদার্পণ করতে চলেছে টুর্নামেন্ট। আসরে বল গড়ানোর আগে ইতিমধ্যে আলোচনা চলছে বিভিন্ন পরিসংখ্যান নিয়ে। আচ্ছা আপনাদের মনে আছে পল ভলথাটি, মানবিন্দার বিসলাদের কথা?

আইপিএল প্রতি মরসুমে একাধিক ক্রিকেটারকে পৌঁছে দেয় তারকার উচ্চতায়। রাতারাতি নায়কের মর্যাদা পেতে শুরু করেন বহু অখ্যাত খেলোয়াড়। আবার এম্ন অনেক ক্রিকেটার রয়েছেম যারা এক সময় খুব নাম কামালেও এখন তাঁদের খোঁজ রাখে না কেউ। এই প্রতিবেদন তেমনই কয়েকজন ক্রিকেটারদের নিয়ে যারা এক সময় হয়েছিলেন হিরো, এখন কার্যত জিরো। এই ক্রিকেটাররা এখন কোথায় রয়েছেন সে ব্যাপারে খোঁজ নেই তেমন।

মানবিন্দার বিসলা

   

কলকাতা নাইট রাইডার্সের অন্যতম নায়ক ছিলেন তিনি। ২০১২ সালে নাইটদের প্রথম ইন্ডিয়ান সুপার লিগ জয় করার পিছনে বড় অবদান ছিল তাঁর। ফাইনাল ম্যাচে তিনিই খেলেছিলেন ম্যাচ জয়ী ইনিংস। চেন্নাই সুপার কিংসে বিরুদ্ধে ৪৮ বলে ৮৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন মানবিন্দার বিসলা। পরের মরসুম থেকে শুরু হয় তাঁর অফ ফর্ম। এরপর আর পাওয়া যায়নি নাইট শিবিরের ম্যাচ উইনার বিসলাকে। কালের নিয়মে হারিয়ে যান বাইশ গজ থেকে।

পল ভলথাটি

রাতারাতি উঠে এসেছিলেন খবরের শিরোনামে। আইপিএলে এক সময়কার দ্রুত সেঞ্চুরি করা ভারতীয় ব্যাটার হয়েছিলেন তিনি। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে ২০১২ আইপিএল কেটেছিল তাঁর স্বপ্নের মতো। ব্যাটে রান, বল হাতে উইকেত নিয়ে মাতিয়ে দিয়েছিলেন আসর। এই ফর্ম বেশি দিন ধরে রাখতে পারেননি। একটি সেঞ্চুরি ও একটি হাফ সেঞ্চুরি করে আইপিএলে পল ভলথাটির গড় রান মাত্র ২৩।

রাহুল শর্মা

পুনে ওয়ারির্সের হয়ে আইপিএল খেলে উঠে এসেছিলেন আন্তর্জাতিক মঞ্চে। সুযোগ পেয়েছিলেন ভারতীয় দলে। পুনে ওয়ারির্সের হয়ে ১৪ ম্যাচে ১৬ উইকেট নিয়েছিলেন ২০১১ সালের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে। টিম ইন্ডিয়ার হয়ে খেলেছেন ৪ টি ওডিআই ও ২ টি কুড়ি বিশের ম্যাচে। এখানেই শেষ। পড়তে শুরু করে ফর্ম।

স্বপ্নিল আসনোদকর

গোয়ার এই উইকেটকিপার ব্যাটারকে বলা হতো পকেট ডিনামাইট। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে ওপেন করতে নেমে রান তুলতেন ঝড়ের বেগে। ৯ ম্যাচে করেছিলেন ৩১১ রান। ২০০৮-এর পর পতনের শুরু। এরপর ১১ ম্যাচে তাঁর ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১১২ রান।

ছোটোবেলা থেকে খেলাধুলোর প্রতি ভালোবাসা। এখন পেশা। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লিখছে বিগত কয়েক বছর ধরে।

সম্পর্কিত খবর