‘৫-০ হয়নি’ হেরে ফুঁসলেন কুয়াদ্রাত! চরম সাফাই ইস্টবেঙ্গল কোচের

ম্যাচে হেরেছে, কিন্তু মনোবল হারেনি। মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের বিরুদ্ধে ১-৩ গোলে পরাজয়ের পর ইস্টবেঙ্গলের কোচ কার্লস কুয়াদ্রতের মনোভাব কিছুটা এমনই। কারণ দ্বিতীয়ার্ধে দল ভালো লড়াই করেছে, ঠেকিয়েছে ০-৫ গোলের লজ্জা।

বিরতির আগেই ০-৩ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল ইস্টবেঙ্গল এফসি। ম্যাচের শুরুর দিকে গোল করার সুযোগ ক্লাব পেয়েছিল। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল মিস করেন ক্লেইটন সিলভা। চলতি মরসুমে সিলভা আগেও পেনাল্টি থেকে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেছেন। ক্লেইটনের পেনাল্টি সেভ করে দিয়েছিলেন মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। পেনাল্টি হাতছাড়া করার পর ম্যাচের ওপর জাঁকিয়ে বসে বাগান। বিরতির আগে হয় তিন গোল। জেসন কামিন্স, লিস্টন কোলাসো, দিমি পেত্রাতসরা জালে বল জড়াতে ভুল করেননি।

   

মোহনবাগান তিন গোল দেওয়ার পর অনেকে ভেবেছিলেন বিরতির পর আরও গোল হজম করবে ইস্টবেঙ্গল। ইস্টবেঙ্গল আর গোল হজম করেনি। বরং সাউল ক্রেসপো একটি গোল পরিশোধ করেন। বদলি ফুটবলার হিসেবে মাঠে নেমে দারুণ লড়াই করেন সায়ন ব্যানার্জী। দলের ছেলেদের এই লড়াইয়ের প্রশংসা করেছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ কার্লস কুয়াদ্রত।

ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেছেন, “অনেকেই এক সময় মনে করেছিলেন মোহনবাগান পাঁচ গোল দেবে। কিন্তু সেটা হয়নি। ছেলেরা দারুণ ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, মেলে ধরেছে নিজেদের। আমাদের দলের খেলোয়াড়রা হার না মানা মানসিকতা নিয়ে নেমেছিল মাঠে। আরও একটু চেষ্টা করলে ফলাফল আমাদের পক্ষে ২-৩ হতেই পারতো। সেটা হয়নি। হলে ম্যাচের ছবি হয়তো আরো একটু অন্যরকম হতে পারতো।”

“একটা ভালো ফুটবল ম্যাচ হয়েছে। প্রচুর আবেগ জড়িয়ে ছিল এই ম্যাচের সঙ্গে। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা গর্ব করতে পারেন। দলের এই স্পিরিটের জন্য গর্ব করা উচিত বলেই আমার মনে হয়”, বলেছেন লাল হলুদ কোচ।

ছোটোবেলা থেকে খেলাধুলোর প্রতি ভালোবাসা। এখন পেশা। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লিখছে বিগত কয়েক বছর ধরে।

সম্পর্কিত খবর