“কষ্ট হচ্ছে, গানটা আর আমার রইলনা”, মিও আমোরের নতুন জিঙ্গেল শুনে বললেন রূপঙ্কর বাগচী

জনতার মনমর্জির আগে সবকিছুই তুচ্ছ তার প্রমাণ মিললো আবারও। ‘হু ইজ কে কে ম্যান’ এই একটা মন্তব্যের জেরে মানুষের চক্ষুশূল হয়েছিলেন রূপঙ্কর বাগচী (Rupankar Bagchi)। দূর্ভাগ্যজনকভাবে তার এই বক্তব্যের ঠিক পরপরই আকস্মিক প্রয়াণ ঘটে কেকে-র। আর এরপর থেকেই নেটদুনিয়ায় লাগাতার আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে রূপঙ্করকে।

ঘটনার আড়াইমাস কেটে গেলেও বিতর্ক যেন এখনও পিছু ছাড়ছেনা তার। জনতার রোষ এতোটাই ছিলো যে সেই আঁচ গিয়ে পড়েছিলো জনপ্রিয় সংস্থা মিও আমোরের উপরেও। কারণ মিও আমোরের বিজ্ঞাপনটি রূপঙ্করেরই গাওয়া। জনতার রোষে কে-ই বা পড়তে চায়! বিতর্ক এড়াতে একপ্রকার বাধ্য হয়েই রূপঙ্করের সাথে সমস্ত চুক্তি ভঙ্গ করেছিলো এই সংস্থাটি। শুধু তাই নয়, কথা দিয়েছিলেন যে ভবিষ্যতেও কখনো আর রূপঙ্করের সাথে কাজ করবেননা তারা।

এবার সেই কথাই রাখলেন জনপ্রিয় কেক সংস্থা মিও আমোদের। শেষ পর্যন্ত নিজেদের জিঙ্গলে রূপঙ্করের কণ্ঠ বদলে ফেলেছে এই কনফেকশনারি ব্র্যান্ড। আর এবার রূপঙ্করের জায়গায় সেই গানে কণ্ঠ দিলেন জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সোমলতা আচার্য চৌধুরী। আর এই ঘটনায় মন ভেঙেছে শিল্পীর।

সম্প্রতি কেক প্রস্তুতকারী সংস্থা মিও আমোরে তাদের ফেসবুক পেজ থেকে পোস্টও করেছে সোমলতার গাওয়া নতুন জিঙ্গলটি। সাথে গ্রাহকদের জন্য দিয়েছে একটি বিশেষ বার্তা, ‘পুরোনো সুর নতুন গান, আত্মহারা মন প্রাণ। আপনাদের ইচ্ছে আর আমাদের চেষ্টা মিলিয়ে আমরা হাজির হলাম নতুন গান নিয়ে।’

এই ঘটনার পর মিডিয়ার তরফ থেকে রূপঙ্করের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আমার খুব কষ্ট হচ্ছে এটা শুনে। গানটা আর আমার থাকল না। খারাপ লাগছে। মন খারাপ।” যদিও মিও আমোরের এই নতুন পদক্ষেপে নেটজনতা বেজায় খুশি তা কমেন্ট বক্স দেখলেই বোঝা যায়। কেউ লিখেছেন, ‘যাক অবশেষে কথা রেখেছে মিও আমোরে’, তো কেউ আবার বলেছে, ‘সোমলতার গলায় এই গান আরো বেশি ভালো লাগছে’।

rupankar bagchi

প্রসঙ্গত, কেকের মৃত্যুর আগেই তাঁকে নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন গায়ক রূপঙ্কর বাগচী। ফেসবুক লাইভে রূপঙ্কর প্রশ্ন করেছিলেন, ” হু ইজ কেকে? আমাদের নিয়ে আপনারা এতো উত্তেজনা বোধ করেন না কেন? অথচ আমরা যেকোনও কেকে-র থেকে বেটার”। তার এই মন্তব্যের পর থেকেই জনতা রীতিমত খেপে ওঠে। কটাক্ষ থেকে শুরু করে কটূক্তি কোনোকিছুই বাদ যায়নি। খুইয়েছেন বেশ কিছু কন্ট্র্যাক্ট, বাদ গেছে অনেক স্টেজ শো অবদি। পরবর্তীকালে জনসমক্ষে এসে ক্ষমা চাইলেও সেই কথায় জনতার ক্ষোভ কোনও অংশেই কমেনি।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button