একেই বলে ভাগ্য, ১৫০ টাকার লটারি কেটে কোটিপতি পুলিশকর্মী! স্ত্রীকে নিয়েই ছুটলেন থানায়

লটারি (Lottery), অনেকেই নিজেদের চাহিদা পূরণের জন্য বেছে নেন এই একটি মাধ্যমকে। হঠাৎ করে মোটা অংকের টাকা রোজগার করতে চাইলে লটারির জুড়ি নেই। হঠাৎ করে বিরাট টাকা উপার্জন করার লোভে অনেকেই লটারির টিকিট কেটে থাকেন।

লটারি কাটেন বহু মানুষ, কিন্তু মোটা পুরষ্কার জোটে কেবল একজনের। আর এবার সেই পুরষ্কার জয় করেছেন তেহট্টের বাসিন্দা মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস। পেশায় তিনি একজন পুলিশ কর্মী। এক কোটি টাকা জিতেছেন তিনি! ১৫০ টাকায় টিকিট কাটেন। আর সেখান থেকেই অকস্মাৎ ভাগ্য পরিবর্তন হয় তার।

   

খিদিরপুরে কাজ করেন মৃত্যুঞ্জয়। হঠাৎ কি মনে হওয়ায় আর পাঁচজনের মতো তিনিও লটারির টিকিট কাটেন। শেষে এইভাবে লটারি জিতে যাবেন সেটা কেউই ভাবতে পারেনি। এমনকি তিনি ফলাফল সম্বন্ধেও জানতেন না। লটারি কাউন্টার থেকে ফোন করে তাকে।

লটারি কাউন্টারের মালিক তাকে ফোন করে জানান যে, তিনি ১ কোটি টাকার প্রথম পুরষ্কার জিতেছেন! এই কথা শুনে নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারেননি তিনি। খুশির খবর জানান প্রত্যেককে। এরপর স্থানীয় তেহট্ট থানায় যান কোনো প্রকার বিপদের হাত থেকে বাঁচার জন্য।

screenshot 2022 11 24 at 5.50.59 pm

টিকিটটিকে তিনি রেখে আসেন তেহট্ট থানাতে। সেখানেই সুরক্ষিত রয়েছে টিকিট। এতবড় পুরষ্কার জিতে মৃত্যুঞ্জয়বাবু জানান, “লটারি আমি সচরাচর কাটি না। সব সময় দেখতাম অনেকেই কাটে সেরকমভাবে নিয়মিত লটারি আমি কাটিনি কখনওই। আজকে নেহাত নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করার জন্যেই সকাল বেলা ১৫০ টাকার লটারি কাটি। এরপরেই দুপুরবেলা খেলার ফলাফল বের হলে সেলার আমাকে ফোন করে জানায়। এই লটারি টাকা দিয়ে আমার দুই মেয়ের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করে রাখবো।”

সম্পর্কিত খবর