ভারত পেঁয়াজ না দেওয়ায় কেঁদে ভাসাচ্ছে পাকিস্তান! ১ কেজির দাম শুনলে আঁতকে উঠবেন

সে ভারত (India) হোক বা অন্য কোনও দেশ… পেঁয়াজের (Onion) দামকে ঘিরে সকলের রাতের ঘুম একপ্রকার উড়ে গিয়েছে। দিন দিন অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম কমলেও পেঁয়াজের দাম যেন কিছুতেই কমতে চাইছে না। বাজারে পেঁয়াজ কিনতে গেলেই সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ একপ্রকার ছ্যাঁকা খাচ্ছেন।

সবথেকে খারাপ অবস্থা তো পাকিস্তানের (Pakistan)। বর্তমানে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বন্ধ রয়েছে। আর এটা পাকিস্তানের উপর খুব খারাপ প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে পাকিস্তানে পেঁয়াজের দাম আকাশছোঁয়া। পেঁয়াজের এই দাম পাকিস্তানের জনগণকে কাদাচ্ছে রীতিমতো। ভারত পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধ করায় পেঁয়াজের এই দাম বাড়ছে। এদিকে পাকিস্তানের পাইকারি ব্যবসায়ীরা এর সুযোগ নিচ্ছেন।

Pakistan onion price

   

সেই কথাতেই আছে না কারোর পৌষ মাস তো কারোর সর্বনাশ। এক্ষেত্রেও বিষয়টি ঠিক তেমনই হয়েছে। ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর ভারত ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তানে পেঁয়াজ বিক্রি নিষিদ্ধ করার ঘোষণা করে দেয়। এরপর থেকেই পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের হাতের নাগালের বাইরে যেতে শুরু করে পেঁয়াজ। কারণ পেঁয়াজের পাইকারি ব্যবসায়ীরা প্রচণ্ড ভাবে পেঁয়াজ কিনে মজুদ করে রেখেছেন। এর ফলে পাকিস্তানে পেঁয়াজের দাম তাৎক্ষণিকভাবে প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা হয়েছে। এরপর থেকে পাকিস্তানে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকে।

ভারত পেঁয়াজ না দেওয়ায় জেরবার পাকিস্তান

পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যে মূল্যস্ফীতির কারণে জেরবার থাকা ভোক্তারা এখন অন্যান্য সবজির তুলনায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা সম্পন্ন পণ্যের দাম বেশি দিচ্ছেন। বিশেষ করে পাকিস্তানে পেঁয়াজের উৎপাদন ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এ কারণে গত তিন মাসে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। এদিকে ভারতও পেঁয়াজ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। যত দ্রুত সম্ভব পেঁয়াজ রফতানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে ভারতকে বাধ্য করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে পাকিস্তান বলে মনে করা হচ্ছে।

onion

এদিকে  ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমে যাওয়ায় শীঘ্রই পেঁয়াজ রফতানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে বলে আশা করছে পাকিস্তান। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানি রফতানিকারকরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন। ফালাহী আঞ্জুমান পাইকারি সবজি বাজার সুপার হাইওয়ের সভাপতি হাজী শাহজাহান জানান, মাঝারি মানের পেঁয়াজের পাইকারি দর প্রতি ৪০ কেজি ৭ হাজার টাকা এবং উচ্চমানের পেঁয়াজের দাম ৪০ কেজিতে ৮ হাজার টাকার বেশি। তিনি দাবি করেন, আরব দেশ ও দুবাইয়ে এর আকার ও চাহিদার কারণে রপ্তানিকারকরা উচ্চমানের পণ্য কিনছেন।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর