ভোটের মুখেই চমক, আবাস যোজনা নিয়ে চলে এল বড় খবর! লটারি লাগল বাংলার মানুষের

নিজের স্বপ্নের বাড়ি থাকুক এটা কে না চায়। আর পাঁচটা সাধারণ মানুষের মতো আপনিও নিশ্চিয়ই চান যে আপনার মাথার ওপর একটা ভালো ছাদ থাকুক আর সেই ছাদের তলায় শান্তিতে বাস করলে কিই না ভালো হয়। আর এই স্বপ্ন পূরণ করেছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার।

কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (Pradhan Mantri Awas Yojana) এর জন্য এই স্বপ্নটি লক্ষ লক্ষ ভারতীয়ের জন্য বাস্তবে পরিণত হয়েছে। সকলের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন সরবরাহের লক্ষ্যে একটি ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ। এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন বাংলারও (West Bengal) বহু মানুষ। যদিও কেন্দ্র (Central Government) ও রাজ্য সরকারের (Government Of West Bengal) দীর্ঘ টানাপোড়েনের কারণে গ্রামীণ এলাকার জন্য বরাদ্দ আবাস যোজনার টাকা বন্ধ রয়েছে।

   

কিন্তু শহরের মানুষের জন্য রয়েছে এক দুর্দান্ত সুখবর। মেদিনীপুর (Midnapore) শহরের হাজার হাজার মানুষের মুখে চওড়া হাসি ফুটেছে। কারণ এই আবাস যোজনার জন্য বরাদ্দ করা টাকা এসেছে। জেলাশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে, মেদিনীপুর শহরে আবাস যোজনায় প্রায় দু’হাজার বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। সম্প্রতি এই খাতে প্রায় সাড়ে ১০ কোটি টাকা এসেছে।

ইতিমধ্যে প্রায় এক হাজার উপভোক্তাকে এক লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে পুরপ্রধান সৌমেন খান সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন, ‘‘আবাস যোজনায় সম্প্রতি বরাদ্দ এসেছে। উপভোক্তাদের কাছে আরেক কিস্তির টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।’’

bangla abas yojana

পুরসভা সূত্রে খবর, ২,২৪৮টি বাড়ি তৈরির জন্য ওই অর্থ বরাদ্দ হওয়ার কথা ছিল। যদিও গত বছর এর কিছু কম বরাদ্দ এসেছিল। এই প্রকল্পে এসেছিল ৯ কোটি ৮৪ লক্ষ ৯০ হাজার, ১,৯৯৪টি বাড়ির জন্য। পুরসভা সূত্রে খবর, প্রথম কিস্তির টাকা ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। ১,৭৫২ জন উপভোক্তাকে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। আর ২৪২ জন উপভোক্তাকে ৪৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। এই প্রকল্পে ইতিমধ্যে মেদিনীপুরে দু’হাজারেরও বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে। আরও প্রায় দু’হাজার বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। সম্প্রতি এই খাতে প্রায় ১০ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা এসেছে। এর মধ্যে ৯৫৪ জন উপভোক্তাকে দ্বিতীয় কিস্তিতে ১ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে ছাড়া হয়েছে ৯ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, বাকিরা দ্বিতীয় কিস্তির টাকা কবে পাবেন? এই বিষয়ে পুরপ্রধান জানাচ্ছেন, ‘‘ধাপে ধাপে টাকা আসছে। এরপর টাকা এলেই বাকিদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে।’’ টাকা না পাওয়ায় অনেকেই সমস্যায় পড়েছিলেন। তবে কিস্তির টাকা পেয়ে অনেকেই কাজ শুরু কর্গে পেরেছেন বলে খবর। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানাচ্ছেন, ‘‘ভিত হওয়ার পর দু’মাস পড়ে রইল, তারপর আবার লিনটন পর্যন্ত গাঁথনি উঠল, এ রকম যেন না হয়, সেটাই নিশ্চিত করতে চাওয়া হয়েছিল।’’

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর