‘গলার হার বিক্রি করে কলেজে ভর্তি’, অতীত নিয়ে মুখ খুললেন মমতা! শুনে চোখে জল আসবে

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)…বাংলার (West Bengal) ক্ষেত্রে এই নামটাই যথেষ্ট। তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৭০-এর দশকের গোড়ার দিকে কংগ্রেস (আই) দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৭৬ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত রাজ্য মহিলা কংগ্রেসের (আই) সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংগ্রামের কাহিনী বারবারই তার মুখে উঠে এসেছে। যদিও পড়াশোনা করার সময়েও তাঁর জীবনে কত কিছু ঘটেছে তার ইয়ত্তা নেই বলেও জানিয়েছেন। এই জায়গায় পৌঁছাতে তাঁকে যথেষ্ট সংগ্রাম অবধি করতে হয়েছে বলে আজ ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কিন্তু মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই।

   

তিনি কোথায় থাকেন, তাঁর লাইফস্টাইল কী? তিনি ছোটবেলায় কেমন ছিলেন? স্কুল লাইফ, কলেজ লাইফ কেমন কেটেছে সেই নিয়ে মানুষের কৌতূহলের অন্ত নেই। তবে আজ তিনি কলেজ লাইফ নিয়ে এক বিস্ফোরক দাবি করেন, যা শুনে সকলেরই চোখ কার্যত কপালে উঠে গিয়েছে। কেউ হয়তো ভাবতেও পারবেন না এমন ঘটেছে।

আজ রীতিমতো অতীতে তাঁর জীবনের এক বড় অধ্যায় নিয়ে স্মৃতিচারন করেন। তৃণমূল সুপ্রিমো জানান,  ‘‌টাকা ছিল না, গলায় মটর মালার হার বিক্রি করে কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম। আমার মনে আছে। বাবা মারা গেছেন। আমার গলায় মটর মালার হার ছিল। সেটা বিক্রি করে আমি কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম। গরিব হয়ে জন্মানো কি অপরাধ?

mamata banerjee

অনেকেই হয়তো জানেন না, ১৯৮৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুর আসন থেকে প্রবীণ সিপিআই নেতা সোমনাথ চ্যাটার্জিকে পরাজিত করে সর্বকনিষ্ঠ সাংসদ হিসাবে লোকসভায় নির্বাচিত হন। কলকাতার হাজরা এলাকার এক নিম্নবিত্ত পরিবারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৫৫ সালে। তার পিতা ছিলেন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগের একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ এবং যোগেশচন্দ্র কলেজ থেকে আইনের ডিগ্রি নেবার পর মমতা ব্যানার্জীর প্রথম পেশা ছিল স্কুলশিক্ষকতা। তবে রাজনীতি করতে শুরু করেছিলেন ছাত্রজীবন থেকেই।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর