এবার এই লাইন নিয়ে তৎপর হল রেল! শুরুর পথে বাংলার আরেকটি ট্রেন রুট

বছরের পর বছর অতিক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে, তবুও বাংলার (West Bengal) এক মেগা রেল (Indian Railways) প্রোজেক্ট নিয়ে সমস্যা যেন মিটতেই চাইছে না। আর তা হল বালুরঘাট-হিলির (Balurghat Hili) মধ্যেকার রেল সংযোগ। এদিকে ২০২৪ সাল এসে গিয়েছে। আর ২০২৪ সাল এসে যাওয়া মানেই হল লোকসভা ভোটের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে যাওয়া।

প্রশ্ন উঠছে, চলতি বছরের মধ্যে কি এই রেল প্রোজেক্ট নিয়ে দ্বন্দ্ব মিটবে? ইতিমধ্যে বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের জন্য দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা প্রশাসনকে ২৯৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রেলমন্ত্রক। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসন সক্রিয়ভাবে জমি অধিগ্রহণের জন্য নথি সংগ্রহ করছে। সম্প্রতি উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার ডিভিশনের (Katihar railway division) ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার বালুরঘাট সফরকালে বলেন, জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হলে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

   

আগে তিনি জানান, ‘বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। রেলওয়ে ইতিমধ্যে দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা প্রশাসনকে জমি অধিগ্রহণের জন্য ২৯৮ কোটি টাকা দিয়েছে। জমি অধিগ্রহণের পরে কাজ শুরু হবে।‘ তবে কথাই সার হয়েছিল যেন। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট-হিলি রেলপথ সম্প্রসারণ কাজ তেমন এগোয়নি। যদিও এবার জেলা প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে সেতু তৈরির জন্য দ্রুত কিছু জমি দিতে বলল রেল। সূত্র মারফত এমনই জানা যাচ্ছে।

প্রথমের দিকে এই টাকা ২৪৪ কোটি টাকা থাকলেও পরবর্তীকালে সেই টাকার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ২৯৮ কোটি টাকা। এদিকে প্রায় ১২ বছর পর বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন জেলার বাসিন্দারা। এদিকে জানা যাচ্ছে, এই মেগা রেল প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ ২০২২ সালের শেষ দিকে শুরু হয়। সমীক্ষার পরে, ধাপে ধাপে বেশ কিছু জমিদাতাকে টাকাও অবধি বিলি করা হয়েছে। যদিও রেল সূত্রে খবর, জমি হস্তান্তর হয়নি। এদিকে আত্রেয়ী, কলকলা খাড়ি, যমুনা নদীর উপর ছ’টি বড় সেতু এবং দশটি ছোট কালভার্টের জন্য ৫০ কোটি টাকার টেন্ডার করে দিয়েছে রেল। এখন জমি অধিগ্রহণ ও হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় সময় নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে রেলের বলে সূত্রে খবর।

rail line

জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণ বলেন, ‘‘অনেকের জমির নথি ঠিক ছিল না। সেগুলি ঠিক করানো হয়েছে। ভাল করে যাচাই না করে জমি নিলে, পরবর্তী কালে মামলা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসন তা এড়িয়ে চলতে চায়।’’ জেলা প্রশাসন জানাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত জমি অধিগ্রহণের ৪০ কোটি টাকা জমিদাতাদের বিলি করা হয়েছে।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর