মঙ্গলেই ঘোষণা! এবার কী অভিষেকের বিরুদ্ধে ভোটে বিচারপতি গাঙ্গুলি? চলে এল পাকা খবর

কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতির (Justice) পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তিনি বিচারপতি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, রাজনৈতিক মাঠে নামার জন্য তাঁকে বারবার চ্যালেঞ্জ জানানোর জন্য শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে ধন্যবাদ জানাতে চান। তিনি বলেন, “লোকসভা নির্বাচনে আমার প্রার্থীপদ নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে আমি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দলকে ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাকে রাজনৈতিক মাঠে আসার চ্যালেঞ্জ জানানোর জন্য।”

   

এবার কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে তিনি প্রার্থী হতে পারেন, তাও আবার বিজেপির। ২০১৮ সালে হাইকোর্টে যোগ দেওয়া বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের আগামী পাঁচ মাসের মধ্যে অবসর নেওয়ার কথা ছিল। ২০২৪-এর জানুয়ারিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেনের সঙ্গে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিচারবিভাগীয় বিবাদ সুপ্রিম কোর্টকে দুই বিচারপতির মধ্যে ‘অর্ডার ওয়ার’ নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে।

জানা যাচ্ছে, আগামী ৬ মার্চ বারাসতে একটি মেগা জনসভা করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।আর এই জনসভাতেই অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিতে পারেন বলে খবর। এও শোনা যাচ্ছে, তমলুক থেকে তাঁকে প্রার্থী করতে পারে গেরুয়া শিবির। ২০২৩ সালের নভেম্বরে শিক্ষক নিয়োগ মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন যে তাঁকে নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক দল হিসাবে তৃণমূলের স্বীকৃতি বাতিল করতে এবং এর লোগো প্রত্যাহার করতে বলতে হতে পারে।

abhijit bjp

২০২৩ সালে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে পদত্যাগ করে রাজনীতিতে যোগ দিতে বলেছিলেন। কুণাল ঘোষের অভিযোগ, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর চেয়ারকে বিচারবিভাগীয় ঢাল হিসাবে ব্যবহার করছেন এবং বিরোধীদের সহায়তা করছেন।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর