শিলিগুড়ি যেতে সময় বাঁচবে ৭ ঘণ্টা! খড়গপুর থেকে উত্তরবঙ্গর রাস্তা নিয়ে মেগা প্ল্যান NHAI-র

যত সময় এগোচ্ছে ততই যেন ভারতীয় রাস্তাগুলির রূপরেখাই বদলে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও উন্নত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে হলে মানুষকে খুব একটা ঝক্কি পোহাতে হয় না।

বাংলা হোক বা অন্যান্য রাজ্য…যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে একাধিক জাতীয় সড়ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এবার তেমনই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এমন একটি রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে যার ফলে উপকৃত হবেন অনেকে। ১১৬এ নং জাতীয় সড়ক নিয়ে এখন সকলের আলোচনা তুঙ্গে রয়েছে। এটি একটি অর্থনৈতিক করিডোর হিসেবে আগামী দিনে প্রমাণিত হতে চলেছে। ইতিমধ্যে এই সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে জোরকদমে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে এই জাতীয় সড়কটি তৈরি হয়ে যাবে এবং সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

১০২৪৭ কোটি টাকা খরচ করবে NHAI

   

জানা গিয়েছে, সম্প্রতি NHAI এই প্রকল্প নিয়ে একটি ভিডিও ইউটিউবে প্রকাশ করেছে। সেখানেই দাবি করা হয়েছে, খড়গপুর থেকে মোরেগ্রাম পর্যন্ত ইকোনমিক করিডোর তৈরিতে মোট ১০২৪৭ কোটি টাকা খরচ করা হবে। এই রুটে জাতীয় সড়ক নং ১২-র মাধ্যমে ইতিমধ্যে শিলিগুড়ি ও মোরেগ্রাম জুড়ে গিয়েছে। এই আবহে ১১৬এ নং জাতীয় সড়কের কাজ শেষ হলে তা জাতীয় সড়ক নং ১২-র সঙ্গে জুড়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। খড়গপুর থেকে মোরেগ্রাম পর্যন্ত ২৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ ইকোনমিক করিডোরের পরিকল্পনা তৈরি হয়ে গিয়েছে।

খড়গপুর থেকে শিলিগুড়ির রাস্তা

যাত্রাপথে আপনি ১০৩টি আন্ডারপাস, ১৮টি ফ্লাইওভার, ৪টি রেল ওভার ব্রিজ এবং ৩টি ইন্টারচেঞ্জ নেটওয়ার্ক দেখতে পাবেন। সবথেকে বড় কথা, NH 116A-এর ফলে খড়গপুর থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত যাত্রার সময় কমবে প্রায় ৭ ঘণ্টা। আপনি জানলে খুশি হবেন, এই জাতীয় সড়ক নং ১১৬এ তৈরি হওয়ার কারণে খড়গপুর এবং মোরেগ্রামের দূরত্ব কমবে ১১২ কিলোমিটার। এই প্রসঙ্গে ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া জানিইয়েছে, এই জাতীয় সড়কের জন্য কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রক ইতিমধ্যেই ছাড়পত্র দিয়ে দিয়েছে। এই জাতীয় সড়কটি পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে শুরু করে হুগলি, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম হয়ে মুর্শিদাবাদে গিয়ে জুড়বে।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর