পর্যটন, শিক্ষা আর্থিক সংকটের পর মলদ্বীপে মহা বিপদ! পাততে হচ্ছে হাত

বিতর্ক যেন পিছুই ছাড়ছে না দ্বীপরাষ্ট্র মলদ্বীপের। নতুন করে সংবাদ শিরোনামে উঠে এল মলদ্বীপ। ভারতকে ছেড়ে ফের একবার চিনের দ্বারস্থ হল মইজ্জু সরকার। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। আসলে দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে এই দেশ। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। আরও বিস্তারিত জানতে ঝটপট পড়ে ফেলুন আজকের এই প্রতিবেদনটি।

একের পর এক কারণে রীতিমতো দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে মইজ্জু সরকারের। ভারতের কাছে পাহাড় সমান ঋণ জমে রয়েছে মলদ্বীপের। ঋণ শোধের সময়সীমা আরও কিছুটা বাড়ানোর জন্য ভারতের হাতেপায়ে পরতে হয়তো এখন বাকি রয়ে গিয়েছে মলদ্বীপের। অন্যদিকে দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট অবধি মইজ্জু সরকারকে গোঁয়ারতুমি ছেড়ে বন্ধু হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এরই মাঝে মলদ্বীপে নতুন সংকট ইতিমধ্যে দরজায় এসে দাঁড়িয়েছে। নিশ্চয়ই ভাবছেন কী বিপদ?

   

আসলে জানা যাচ্ছে, তীব্র জল সংকট দেখা দিয়েছে মলদ্বীপে। আর এই সংকটের সময়ে নাকি সরকার চিনের দ্বারস্থ হয়েছিল। এখন জানা যাচ্ছে, এবার মলদ্বীপে ১৫০০ টন পানীয় জল পাঠালো চিন। মঙ্গলবার মলদ্বীপ সরকার জানিয়েছে, তিব্বতের হিমবাহ থেকে সংগৃহীত জল মালেতে পৌঁছেছে। চিনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের চেয়ারম্যান ইয়ান জিনহাইয়ের মলদ্বীপ সফরের সময় মলদ্বীপে পানীয় জল সরবরাহের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক।

জানা যাচ্ছে, মলদ্বীপে পাঠানো জল হিমবাহ অঞ্চল থেকে প্রাপ্ত ফ্রোজেন ওয়াটার থেকে উৎপন্ন হয়েছে। ওই জল এমনিতেই স্বচ্ছতা, পরিচ্ছন্নতা এবং খনিজ সমৃদ্ধির জন্য পরিচিত। গত বছরের নভেম্বরে ইয়ান জিনহাই প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেই সময় বলা হয়েছিল, হিমবাহ এলাকা থেকে সংগৃহীত জল তাঁদের দিতে হবে। এটি অত্যন্ত পরিষ্কার এবং খনিজ সমৃদ্ধ। মহম্মদ মুঅইজ্জু বরাবরই চিনপন্থী হিসেবে পরিচিত।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর