‘লাঞ্চের পর আসুন”, লন্ডনের SBI ব্রাঞ্চের কাণ্ড দেখে হতবাক নেটিজেনরা! বইছে মিমের বন্যা

গোটা ভারতে (India) মিম তো অনেক তৈরি হয়, কিন্তু এমন একটি ব্যাংক যদি থাকে যাদের নিয়ে ভারতের জনগণ হামেশাই মজা করে, তাহলে সেটি হল ভারত সরকার পরিচালিত SBI – স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (State Bank Of India)। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এই ব্যাংক নিয়ে যে পরিমাণ মিম তৈরি হয়, তা হয়তো অন্য কোনো কিছু নিয়েই হয়না। কিন্তু এবার যা হলো এই ব্যাংক নিয়ে, তা ভারতের সীমানা ছড়িয়ে পৌঁছেছে আন্তর্জাতিক স্তরে ।

ভারতের সরকারি যেকোন পরিষেবা খারাপের দিক থেকেই জনগণের মাঝে প্রচন্ড সমালোচনার সম্মুখীন হয়। তবে SBI যেন সমালোচনার স্তরকেও ছড়িয়ে গিয়েছে। সেখানে গিয়ে কাজ করা আর ঝামেলা করা যেন সমার্থক হয়ে উঠেছে। কিন্তু এসব ছাড়িয়ে গিয়েছে সরকারী ব্যাংকের বেপরোয়া মনোভাব। তাদের ক্রমাগত খারাপ পরিষেবা এবং তার সাথে দোসর হয়েছে তাদের ‘লাঞ্চ আওয়ার’। যেকোন সময় গেলেই তাদের লাঞ্চ আওয়ার চলে। আর এই নিয়েই চলছে সমালোচনা, তবে এবার এই সমালোচনা দেশ ছাড়িয়ে পৌঁছেছে বিদেশের স্তরে।

এতদিন শুধুমাত্র এই ঘটনা সারাভারতে চললেও এবার তার ভুক্তভোগী হয়েছেন বিদেশের লোকেরাও। এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী লন্ডনের SBI শাখার একটি ছবি শেয়ার করেন, সেখানে লেখা ছিল যে, ‘ব্যাংকের এই শাখাটি দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বন্ধ।” আসলে লন্ডনের স্থানীয় কিংস কলেজে কিছু যুবক কাজের প্রয়োজনে সেখানেরই একটি SBI শাখাতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে গিয়েই শাখা বন্ধ অবস্থাতেই দেখতে পান।

তার এই টুইট এর পরই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে যেন আগুন বয়ে যায়। সারা দেশের মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ওই টুইট। শুধু তাই নয়‚ ট্রোল করার জন্য মানুষ মহব্বতে সিনেমার সেই বিখ্যাত লাইন “পরম্পরা, প্রতিষ্ঠা এবং অনুশাসন” এর সাথে SBI এর লাঞ্চ ব্রেকের তুলনা করেন। সারা ভারতেই এই নিয়ে হাসির রোল উঠেছে। অনেকে আবার এটা ভেবেই খুশি যে, লন্ডন বাসিরাও ভারতীয়দের মতোই অসুবিধায় ভুগছেন।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button