২০০০ বছর ধরে দুর্লভ শিব-পার্বতীর মূর্তি রক্ষা করছিল সর্প দেবতারা! অলৌকিক ঘটনার সাক্ষী রইল স্থানীয়রা

“সর্প দেবতাকে প্রতিনিয়ত তার উপাসনা রক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। এমনকি খননের সময়ও তাঁরা উপস্থিত ছিল।” জামুইয়ের দেবী স্থানে এই ধরনের আলোচনা তখন শুরু হয়, যখন সেখানে পুকুরের সৌন্দর্যায়নের কাজ চলাকালীন খননকালে শিব পার্বতীর প্রায় ২ হাজার বছর আগেকার একটি ভাস্কর্য পাওয়া যায়। শীঘ্রই আশেপাশের অনেক গ্রাম থেকে মানুষ ঈশ্বরের দর্শনে পৌঁছে যায় সেখানে। পাশাপাশি, সেই মূর্তির কাছাকাছি মাটি বোঝাই গাড়িতে বসে থাকতে দেখা যায় নাগ দেবতাকেও।

স্থানীয় লোকজনও একে ধর্ম বিশ্বাসের সঙ্গে যুক্ত করে দেখেছেন। কেউ কেউ বলেছেন যে এই দেবী স্থলে প্রায়ই সাপ দেখা যেত। এই অতি প্রাচীন ভাস্কর্যগুলো পাওয়া যাওয়ার পরই সেখানে সাপ দেখার রহস্য ভেদ হয়েছে। স্থানীয়দের মতে সর্প দেবতারা তাদের দেবতাকে রক্ষা করছিলেন।

গ্রামের প্রবীণরাও একথা মেনে নিয়ে বলেন, এই প্রথম কোনো প্রাচীন নিদর্শনে সাপ পাওয়া যাচ্ছে না, সব প্রাচীন মন্দির, ধনভাণ্ডারেই আপনি তাদের পাহারারত অবস্থায় দেখতে পাবেন। এখানেও এমন কিছু ঐশ্বরিক মায়া ছিল।

উল্লেখ্য, বিহারের জামুই জেলার সিকান্দ্রা ব্লক এলাকার কুমার গ্রামে মা নেতুলা মন্দিরে অবস্থিত পুকুরের সৌন্দর্যায়নের জন্য চলমান খননে ভগবান শঙ্করের বিরল প্রাচীন শিবলিঙ্গ ছাড়াও একটি দেবীর বিরল মূর্তিও উদ্ধার। এর তথ্য দেওয়া হয়েছে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে। একই সঙ্গে অধিদপ্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, এসব মূর্তি পাল আমলের বলে মনে হচ্ছে, তবে গবেষণা করার পরই সব রহস্যের ভেদ হবে।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button