বড় ঝটকা! DA নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেও প্রত্যাখ্যান করল রাজ্য, কপাল পুড়ল কর্মীদের

লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে মাথায় এক প্রকার চিন্তার বাজ ভেঙে পড়ল রাজ্য সরকারি কর্মীদের (Employee)। কয়েকদিন আগেই রাজ্য সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ডিএ (Dearness allowance) সংক্রান্ত একটি বিষয়ে সকলকে জানানো হয়েছিল। এদিকে DA এবং এরিয়ার বাড়বে বলে খুশিতে একপ্রকার লাফাতে শুরু করেছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। কিন্তু সকলের সেই খুশিতে যেন কারোর নজর লেগে গেল এক ঝটকায়।

মহার্ঘ্য ভাতা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে নিল রাজ্য সরকার (State Government)। বিজ্ঞপ্তি ঘোষণার পরই সেটা তুলে নেওয়া হল বলে খবর। এদিকে সরকারের এহেন সিদ্ধান্তের ফলে কর্মীদের মধ্যে যে ব্যাপক প্রভাব পড়বে তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না নিশ্চিয়ই। DA সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল ৪ মার্চ। যদিও ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই পরের দিন অর্থাৎ ৫ মার্চ সেই বিজ্ঞপ্তি তুলে নিয়েছে সরকার। সকলেই চমকে গিয়েছে সরকারের এহেন সিদ্ধান্ত।

ডিএ সহ ২১ মাসের এরিয়ার মেটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য

   

আর এই ঘটনা ঘটেছে হিমাচল প্রদেশে। বিগত ৪ মার্চ ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি সেইসঙ্গে ২১ মাসের এরিয়ার মেটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। সেই মর্মে বিজ্ঞপ্তি অবধি জারি করা হয় সরকারের তরফে। কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের ক্ষোভ এবং কর্মচারী ইউনিয়নগুলির বিরোধিতার জেরে দ্বিতীয় দিনে বকেয়া মেটানো সংক্রান্ত দুটি বিজ্ঞপ্তিই প্রত্যাহার করে নেয় রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার রাজ্য সচিবালয় কর্মচারী ফেডারেশন-সহ একাধিক সংগঠন বকেয়া বেতনের পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি জানায়।

সোমবার রাজ্য সরকার রাজ্যের কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের ষষ্ঠ বেতন কমিশনের বকেয়া বেতন দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছিল। নতুন অর্থবছরে মোট বকেয়ার ৪.৫ শতাংশ পরিশোধ করার কথা ছিল। ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এটি দেওয়া হবে। মার্চ মাসে দেড় শতাংশ দেওয়ার কথা ছিল। এরপর প্রতি মাসে বকেয়া দশমিক ২৫ শতাংশের বেশি পরিশোধ করতে হতো না। বেতন ও পেনশনের সঙ্গে বকেয়া পরিশোধ করতে হতো। বকেয়া মহার্ঘ ভাতাও দিতে হতো মাসে দেড় শতাংশ করের হারে। এতে আপত্তি জানায় কর্মচারী সংগঠনগুলি।

da money

সভাপতি সঞ্জীব শর্মার সভাপতিত্বে বৈঠকে ফেডারেশন বেতন সংশোধন এবং মহার্ঘ ভাতা বকেয়া প্রদানের নির্ধারিত মাপকাঠি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। সঞ্জীব শর্মা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু কর্মকর্তাদের বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন। সঞ্জীব মহাসঙ্ঘের সভাপতি সঞ্জীব শর্মা জানিয়েছেন, এই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বকেয়া বেতন মেটাতে প্রায় ৩৩ বছর এবং মহার্ঘ ভাতা দিতে প্রায় ৫ বছর সময় লেগে যায়।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর