৪১৭ টাকা জমিয়ে পান ৪০ লাখ! পয়সাও নিরাপদ এই স্কিমে, আজই ছুটুন পোস্ট অফিসে

এমন একটি নিরাপদ স্কিম রয়েছে যা একজন বিনিয়োগকারীকে (Investment) অবসর গ্রহণের পরেও তার আর্থিক চাহিদা মেটাতে সক্ষম হয়। পিপিএফের (Public Provident Fund) নিয়ম অনুযায়ী, কোনও বিনিয়োগকারী তাঁর PPF অ্যাকাউন্টে ১০০ টাকা জমা দিয়ে যে কোনও ব্যাঙ্ক বা নিকটবর্তী পোস্ট অফিসে (Indian Post) পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। যদি কোনও ব্যক্তি বিনিয়োগের শৃঙ্খলা বজায় রাখেন তবে পিপিএফ অ্যাকাউন্টের মেয়াদপূর্তির সময় তিনি কোটিপতি হতে পারেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তা সম্ভব হতে পারে।

আপনার যদি অ্যাকাউন্ট থাকে তবে আপনাকে পিপিএফ অ্যাকাউন্টে প্রতি বছর ন্যূনতম ৫০০ টাকা জমা করতে হবে। পিপিএফ অ্যাকাউন্টে ১৫ বছরের লক-ইন পিরিয়ড রয়েছে, যার মধ্যে উপার্জনকারী ব্যক্তি একক আমানতে বা একটি আর্থিক বছরে সর্বাধিক ১২ টি কিস্তিতে ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জমা দিতে পারেন।

   

পিপিএফ অ্যাকাউন্টটি ইইই বিভাগের অধীনে আসে, যেখানে কোনও ব্যক্তি বছরে ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জমা দেওয়ার পরে ধারা ৮০সি এর অধীনে আয়কর সুবিধা দাবি করতে পারেন। এর পাশাপাশি পিপিএফের ম্যাচিউরিটির পরিমাণের উপরও কর ছাড় রয়েছে। পিপিএফে সুদের হার ৭.১ শতাংশ এবং এটি ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে দেওয়া হয়।

পিপিএফ অ্যাকাউন্টের পরিপক্কতার সময়কাল ১৫ বছর। তবে বিনিয়োগকারীরা পিপিএফের পরিপক্কতার পরিমাণ বের না করেও এটা চালিয়ে যেতে পারেন। বিনিয়োগকারীর মেয়াদপূর্তির পরেও পরবর্তী ৫ বছরের জন্য তার পিপিএফ অ্যাকাউন্ট বাড়ানোর বিকল্প রয়েছে। পিপিএফ অ্যাকাউন্টধারীরা বিনিয়োগের বিকল্পের সাথে তাদের অ্যাকাউন্টটি এগিয়ে নিতে পারেন।

পিপিএফ অ্যাকাউন্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে, আপনার অর্থ প্রত্যাহারের পরিবর্তে বিনিয়োগের বিকল্পগুলি পুনরায় বেছে নেওয়া দরকার বলে অভিজ্ঞরা মনে করেন। পিপিএফ পরিপক্কতার পরিমাণ ও এর বিনিয়োগ উভয়ের উপর সুদ পেয়ে যাবেন। একজন ব্যক্তি যদি এমনটা করেন তাহলে এই বিনিয়োগের মাধ্যমে তিনিও কোটিপতি হতে পারেন।

সম্পর্কিত খবর