দেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্কে দাবিহীন পড়ে ৪২ হাজার কোটি! আপনিও পেতে পারেন, জানুন কীভাবে

ব্যাঙ্কে জমা পড়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকা, তাও কিনা আনক্লেইমড ডিপোজিট বা ব্যাঙ্কের পরিভাষায় যাকে বলে দাবিহীন আমানত। সাম্প্রতিক সময়ে RBI এবং দেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কের তরফে এমন একটি তথ্য দেওয়া হয়েছে যা শুনলে আপনারও চোখ কপালে উঠে যেতে পারে বৈকি।

এক রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে, ভারতের সে সরকারি হোক বা বেসরকারি, দাবিহীন আমানত বাড়ছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া জানাচ্ছে, ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকগুলিতে ৪২,২৭০ কোটি টাকা দাবিহীন আমানত রয়েছে। এই টাকা বিভিন্ন ব্যাংকে জমা হয়েছে, কিন্তু এর কোনও দাবিদার নেই। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই অঙ্কের পরিমাণ ছিল ৩৫,০১২ কোটি টাকা। তবে মাত্র এক বছরের মধ্যে সেই অঙ্ক ৪২ হাজার কোটি টাকা।

   

২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলিতে দাবিহীন আমানত ছিল ৩২,৯৩৪ কোটি টাকা। যদিও ২০২৩ সালের মার্চ মাসে এই ছবিটা এক ধাক্কায় অনেকটাই পাল্টে যায়। ২০২৩ সালের মার্চ শেষে এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ২৭২ কোটি টাকা। সে অনুযায়ী বেড়েছে ২৮ শতাংশ। সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মার্চের শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে ৩৬,১৮৫ কোটি টাকা দাবিহীন আমানত ছিল, যেখানে বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলির কাছে ৬,০৮৭ কোটি টাকা ছিল।

money

রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে অর্থ প্রতিমন্ত্রী ভাগবত কে কারাড জানিয়েছেন, দাবিহীন আমানতের পরিমাণ কমাতে এবং প্রকৃত দাবিদারদের ফিরিয়ে দিতে আরবিআই বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি জানান, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার নির্দেশ অনুসারে, ব্যাংকগুলিকে দশ বছর বা তার বেশি সময় ধরে অকার্যকর বা নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্টগুলিতে দাবিহীন আমানতের তালিকা ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করতে এবং মৃত অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে গ্রাহক বা আইনী উত্তরাধিকারীদের অবস্থান সনাক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর