মিলবে DA? পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হাতে এল ১০ হাজার কোটি! বড় ঘোষণার অপেক্ষার কর্মীরা

কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) প্রতি বাংলার শাসক দল তৃণমলের ক্ষোভের শেষ নেই। একদিকে যখন ডিএ (Dearness allowance) বা মহার্ঘ্য ভাতা ইস্যুতে রাজ্যের সরকারি কর্মীরা (Employee) সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন দেখিয়েই চলেছে, ঠিক অন্যদিকে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লাগাতার টাকা না দেওয়ার অভিযোগ করে আসছে রাজ্য সরকার (Government Of West Bengal)।

শুধুমাত্র তাই নয়, ১০০ দিনের কাজ থেকে শুরু করে আবার যোজনার টাকা অবধি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শাসক দল তৃণমূলের অভিযোগ, কয়েক হাজার কোটি টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র। যদিও তৃণমূলের এহেন অভিযোগের মাঝেই বাংলাকে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাঠালো কেন্দ্র। হ্যাঁ শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। লোকসভা ভোটের আগে ১০,৬৯২ কোটি টাকা পাঠালো মোদী সরকার।

   

শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে যে বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য ২৮ টি রাজ্যকে ১.৪২ লক্ষ কোটি টাকার করের ভাগ দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) দেওয়া হয়েছে ১০,৬৯২ কোটি টাকা। যা উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও মধ্যপ্রদেশের পর এই ক্ষেত্রে চতুর্থ।

কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে যে এই পরিমাণ ১২ ফেব্রুয়ারি দেওয়া ৭১,০৬১ কোটি টাকার কিস্তির কর বিতরণের অতিরিক্ত। এই ঘোষণার সঙ্গে, রাজ্যগুলি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মোট তিনটি কিস্তি কর স্থানান্তর পেয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এত পরিমাণ টাকা যেহেতু রাজ্য সরকারকে পাঠানো হয়েছে সেক্ষেত্রে কি এবার বকেয়া টাকা মেটানো হবে কর্মীদের? ভোটের আগে কি কপাল খুলবে সকলের?

বৃহস্পতিবার রাতের দিকে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, কর সংক্রান্ত খাতে দেশের ২৮টি রাজ্যকে মোট ১,৪২,১২২ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের ঝুলিতে পড়েছে ১০,৬৯২ কোটি টাকা। এই বিষয়ে বড় মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক নির্মলা সীতারামন। তিনি দাবি করেছেন, বিভিন্ন সমাজ কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকার যাতে আরও সুযোগ পায়, সেজন্য ওই ১,৪২,১২২ কোটি টাকা দেওয়া হল। তার ফলে শুধু ফেব্রুয়ারিতেই কর সংক্রান্ত খাতে তিনটি কিস্তির প্রদান করা হয়েছে রাজ্যগুলিকে। বিভিন্ন রাজ্যের হাত মজবুত করতে সেই টাকা দেওয়া হচ্ছে।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর