DA অসন্তোষের মাঝেই সরকারি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি, কবে থেকে! জানালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী

বাড়তি বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ যেন থামতেই চাইছে না সরকারি কর্মীদের (Employee)। এদিকে লোকসভা ভোটের আগে সরকারি কর্মীদের এহেন দফায় দফায় বিক্ষোভের জেরে স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তি বেড়েছে রাজ্য সরকারের (State Government)। মূলত নতুন বেতন কমিশনের অধীনে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা বেশ কয়েকদিন ধরেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে কমিশনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

যদিও কমিশনের রিপোর্ট এখনও প্রকাশিত হয়নি। এমনকি রাজ্য বাজেট অধিবেশনেও এই বিষয়ে কোনও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করার দাবি জানান বিরোধী বিধায়করা। সূত্রের খবর, কংগ্রেস শাসিত কর্ণাটকে (Karnataka) সপ্তম বেতন কমিশন (7th Central Pay Commission) কার্যকর করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) সিদ্দারামাইয়ার উপর ক্রমশ নাকি চাপ বাড়ছে। বিরোধীদের জোরালো দাবি, সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করুক। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বেতন কমিশনের রিপোর্ট এলে শীঘ্রই ইতিবাচক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

   

দেশের কেন্দ্রীয় সরকার সময়ে সময়ে তার কর্মচারীদের জন্য বড় বড় ঘোষণা করে এবং এই ঘোষণাগুলিতে, ডিএ (Dearness allowance) বা বোনাস (Bonus) কিনা তা ঘোষণা করতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে হোলির আগে ফের একবার কেন্দ্রীয় কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য বড়সড় ঘোষণা করতে পারে সরকার বলে খবর। এই ঘোষণার ফলে মহার্ঘ ভাতা অর্থাৎ DA বাড়বে। যার জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মীরা। কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার এই কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধির উপহার দিতে পারে। আগামী মার্চে মহার্ঘ ভাতা ৪ শতাংশ বাড়াতে পারে সরকার। যদিও কর্ণাটক, পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) ডিএ-র দাবিতে বিক্ষোভ যেন থামতেই চাইছে না। কেন্দ্রীয় হারে, বকেয়া টাকা মেটানোর দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাত রয়েছে।

এদিকে কর্ণাটকের কথা বললে, বিজেপি সরকারের আমলেই প্রাক্তন আমলা সুধাকর রাওয়ের সভাপতিত্বে সপ্তম রাজ্য বেতন কমিশনের গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটির মেয়াদ দ্বিতীয় দফায় বাড়িয়েছে বর্তমান সরকার। এই আবহে কমিশনের মেয়াদ ২০২৪ সালের ১৫ মার্চ করা হয়েছে। রাজ্য সরকার রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন খাতে ১৫,৪৩১ কোটি টাকা বরাদ্দ বেড়েছে। অর্থাৎ চলতি অর্থবর্ষের থেকে ২৪ শতাংশ বরাদ্দ বাড়িয়েছে রাজ্য সরকার। তারপরেও শান্ত হচ্ছে না কেউ। এহেন অবস্থায় রাজ্য সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয় সেদিকে নজর রয়েছে সকলের।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর