মাসে মাত্র ২০০ টাকা বিনিয়োগ করে বছরে পান ৩৬ হাজার টাকা, এভাবে তুলে নিন ফায়দা

২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকার কৃষকদের উন্নতির জন্য অনেক ধরনের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা চালাচ্ছে। যতক্ষণ পর্যন্ত কৃষক শক্তিশালী থাকে, ততক্ষণ সে নিজেকে এবং তার পরিবারের ভরণপোষণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে। কিন্তু বৃদ্ধ হওয়ার পর তাকে আর্থিক সমস্যায় পড়তে হয় তাদের। এই কথা মাথায় রেখে, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২০১৯ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর শুরু করেন কিষাণ মানধন যোজনা (PM KMY)।

প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনা শুরু করার উদ্দেশ্য হল ৬০ বছরের বেশি বয়সী কৃষকদের প্রতি মাসে ৩০০০ টাকার পেনশন দেওয়া। যাতে তারা তাদের বার্ধক্য অবস্থা স্বাচ্ছন্দ্যেই পার করতে পারে এবং তাদের অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়।এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে, প্রথমে কৃষকদের মাসিক কিস্তি জমা দিতে হবে এবং পরে তাদের প্রতি মাসে মাসিক পেনশন দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনার সুবিধা নিতে, যে কৃষকরা আবেদন করতে চান, তাদের বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হওয়া বাধ্যতামূলক। এছাড়াও, শুধুমাত্র সেই সমস্ত কৃষক যাদের জমির পরিমাণ ২ হেক্টরের কম তারাই এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনার অধীনে সুবিধাভোগী কৃষক ৬০ বছর বয়সের পরে ন্যূনতম ৩০০০ টাকা পেনশন পান। তবে স্বামী/স্ত্রীর মধ্যে একজনই এই স্কিমের সুবিধা পান। আর কৃষকের মৃত্যুর পর এই পেনশনের ৫০% পেয়ে যান তার স্বামী/স্ত্রী।

৬০ বছর বয়সে পৌঁছানোর পরে কৃষক এই প্রকল্পের অধীনে পেনশনের পেতে শুরু করবেন। তবে এর আগে, কৃষককে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি মাসে সরকারকে কম কিন্তু প্রতিমাসেই নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে থাকে। এই টাকার পরিমাণ খুবই কম। প্রতি মাসে মাত্র ৫৫ টাকা থেকে শুরু করে প্রতি মাসে ২০০ টাকা পর্যন্ত।

আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছর হলে তার ৬০ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত তাকে এই স্কিমে প্রতি মাসে ৫৫ টাকা দিতে হবে। ৬০ বছর পূর্ণ করার পর, তাকে সরকার প্রতি মাসেই দেবে ৩০০০ টাকা। তবে আবেদনকারীর বয়স যদি ৪০ বছর হয়, তাহলে তাকে প্রতি মাসে দিতে হবে ২০০ টাকা। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনায় আবেদন করতে চাইল আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং চালু মোবাইল নম্বর থাকা প্রয়োজন।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button