মাধ্যমিকে মাত্র ৩৩৯! ‘নম্বর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না” নিজের রেজাল্ট শেয়ার করে বোঝালেন IAS শাহিদ

ভারতের (India) অধিকাংশ মানুষের মতামত হল, যে ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে ভাল নম্বর পায় না, তাদের ভবিষ্যত অন্ধকার। এমনকি খেলাধুলাকেও মানুষ বেকার বলেই মনে করে। খেলাধুলায় আগ্রহী শিশুদের বারবার একটা কথাই মনে করানো হতো যে যাই করুক, পড়াশোনা না করলে কোনো লাভ নেই।

তবে বিগত কয়েক বছরে এই চিত্রের খানিক বদল হলেও বেশিরভাগ মানুষের তথা অভিভাবকদের ধ্যান ধারণা আগের মতোই রয়ে গেছে। আজকের দিনেও যে ছেলেমেয়েদরা শুধু পাশ নম্বর পায়, তাদের টিটকিরি করতে ছাড়ে না মানুষ। ভবিষ্যতের জন্য উৎসাহী না করে বরং টোন টিটকিরি করতেই বেশি ভালোবাসে যেন।

এটা মিথ্যা নয় যে, দশম শ্রেণী এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ। যে কোনো নির্দিষ্ট পরীক্ষায় বসতে হলে একটা নির্দিষ্ট নম্বরের প্রয়োজন অবশ্যই হয়। তবে তার মানে এই নয় যে, পরীক্ষার নম্বরটাই সবকিছু। একটা পরীক্ষা একজন শিক্ষার্থীর মেধার মাপকাঠি হতে পারে না।

যারা সংখ্যাকে সাফল্যের মাপকাঠি হিসেবে বোঝেন তাদের জন্য একটা উদাহরণ হলেন IAS শাহিদ চৌধুরী। সম্প্রতি তিনি টুইটারে নিজের দশম শ্রেণীর মার্কশিট শেয়ার করেছেন। না, দশম শ্রেণীতে চো খধাঁধানো রেজাল্ট করেননি তিনি। তার ঝুলিতে ছিলনা ৯০ শতাংশ নম্বর কিন্তু তা সত্ত্বেও আজ তিনি দেশের একজন সফল আইএএস অফিসার।

এই টুইটে মার্কশিটের সাথে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “ছাত্র ছাত্রীদের আবদারে এই হল আমার দশম শ্রেণির মার্কশিট, যা ১৯৯৭ সাল থেকে গোপনেই ছিলো, ৩৩৯/৫০০।” এর সাথে একটা হাসির ইমোজিও দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন পরীক্ষার নম্বর তাকে আটকাতে পারেনি। মার্কশিটে দেখা যাচ্ছে, ৫০০ এর মধ্যে ৩৩৯ নম্বর পেয়েছিলেন তিনি যেখানে ম্যাথ আর সোশ্যাল স্টাডিজে মাত্র ৫৫ নম্বর করে পেয়েছিলেন।

শাহিদ চৌধুরীর এই রেজাল্ট দেখার পর থেকে রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কমেন্ট বক্সে একজন ইউজার লিখেছেন, ‘স্যার বাকি সব তো ঠিক আছে তবে ম্যাথ আর সোশ্যাল স্টাডিজে তার বেশ শক্ত ছিলো মনে হচ্ছে’। এর উত্তরে শাহিদ চৌধুরী লিখেছেন, “ম্যাথের ক্ষেত্রে বন্ধুরা বড্ডো সাহায্য করছে আর সোশ্যাল স্টাডিজের বদলা পরে ইউপিএসসিতে সোশিওলোজি নিয়ে পূর্ণ করেছি।”

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button