১ হাজার বছরের পুরনো ভারতের এই মন্দির, একরাতেই নাকি তৈরি করেছিল ভূতেরা! আজও হয়নি রহস্যভেদ – Kakanmath Temple

ভারতের (India) শতাব্দী প্রাচীন মন্দির গুলোই ছিল মানবতা, শিক্ষা, সাহিত্য চর্চার প্রাণকেন্দ্র। ভারতবর্ষের সুপ্রাচীন এই মন্দিরগুলোই আজও ইতিহাসের চিহ্ন বয়ে চলেছে। হাজার বছর ধরে প্রকৃতির সাথে লড়াই করে, বিভিন্ন বর্বর দস্যুদের আক্রমণের মধ্যেও নিজেদের গরিমা বজায় রেখেছে মন্দিরগুলি। ভারতীয় শিল্প, স্থাপত্যশৈলী এবং ভাষ্কর্যের অনন্য নিদর্শন এই মন্দিরগুলি।

মন্দির তো অনেক রকম ভাবে তৈরি বহু ভগবানের রয়েছে। কিন্তু তাই বলে ভূতের তৈরী মন্দির? এতদিন তো আমরা সবাই জানতাম ভূত তাড়ানোর জন্য মন্দিরে যায় সবাই, সেই ভূতই কিনা মন্দির তৈরি করেছে! হ্যাঁ আপনাদের জানিয়ে রাখি এরকমই একটি অদ্ভুত মন্দির রয়েছে মধ্যপ্রদেশের মোরেনা জেলার সিহোনিয়ান শহরে। চলুন দেখি কিরকম সেই মন্দির।

১১৫ ফুট উঁচু এই মন্দিরটির নাম কাকনমঠ। সিহোনিয়ান শহর থেকে প্রায় দুই কিমি দূরে অবস্থিত এই মন্দির। বর্তমানে অবশ্য সরকারের অপদার্থতায় রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে আজ ভগ্ন ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়েছে এটি। আপনাদের জ্ঞতার্থে জানিয়ে রাখি যে এই মন্দির আসেলে ভগবান শিবের জন্য নিবেদিত। সাধারণ জনভূমি থেকে দূরে এবং মাটি থেকে অনেকটা উঁচুতে রয়েছে এই মন্দির। ভগবান শিবের দর্শন পেতে অনেকেই সেখানে যান।

হাজার বছরের পুরানো এই মন্দিরে আপনি চারিপাশে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি দেখতে পাবেন, তবে অনেকগুলি এখন ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। জানা যায় ১১ শতকে কাচওয়াহা রাজবংশের রাজা কীর্তি রাজ এই মন্দির তৈরি করেন। স্থানীয় লোককথা অনুযায়ী রাণী কাকনাবতী ছিলেন মহাদেবের চরম ভক্ত আর এই কারণে রাজা তার নামেই মন্দিরটির নামকরণ করেন।

cover kakanmath temple

তবে জানলে অবাক হবেন যে, কথিত আছে এই মন্দির নির্মাণ করেছিল ভূতেরা। মাত্র ১ রাতেই তৈরি হয় এই এতবড় মন্দির! কিন্তু সেই ভূত ১ রাত্রির মধ্যে নির্মাণকার্য সম্পূর্ন করতে পারেনি বলে মন্দিরটিকে দেখলে মনে হবে এটি যেন সম্পূর্ন নয়, কিছুটা বাকি রয়ে গিয়েছে। যদিও এই কথার সত্যতা বিচার করা সম্ভব নয়, কিন্তু দেবাদিদেব মহাদেবের চেলাচামুণ্ডারা অর্থাৎ ‘ভূত’ যে তার পূজ্য ভগবানের জন্যে এরকম অসম্ভব কার্য করতেই পারে এতে সন্দেহ নেই।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button